টিয়া পাখি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ ও দাপ্তরিক কার্যক্রম সুশৃঙ্খল করার প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির ত্রিবার্ষিক কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন-২০২৬ ঘিরে শেষ মুহূর্তে সরব হয়ে উঠেছে নির্বাচনী পরিবেশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে টিয়া পাখি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী এম সনজু আহমেদ।নির্বাচন সামনে রেখে গত কয়েক দিন ধরে আলমডাঙ্গার বিভিন্ন বাজার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়, তাঁদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনা এবং নিজের নির্বাচনী পরিকল্পনা তুলে ধরেন। দপ্তর সম্পাদক পদে টিয়া পাখি প্রতীকে ভোট দিয়ে তাঁকে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানান ব্যবসায়ী ভোটারদের প্রতি।এম সনজু আহমেদ জানান, নির্বাচিত হলে বণিক সমিতির দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও গতিশীল করতে কাজ করবেন। সমিতির প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও সদস্যদের তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ, দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেবেন।তিনি আরও বলেন, বণিক সমিতি ব্যবসায়ীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন। এ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় দায়িত্বশীলতা, নিয়মতান্ত্রিকতা ও সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা জরুরি। নির্বাচিত হলে ব্যবসায়ীদের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করবেন। এ জন্য তিনি ভোটারদের দোয়া, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট প্রত্যাশা করেন।এম সনজু আহমেদ আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির সদস্য, সনজু ফার্নিচারের স্বত্বাধিকারী এবং আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা, সাংবাদিকতা ও বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।প্রধান নির্বাচন কমিশনার শহিদুল ইসলামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদের মধ্যে ১২ জন ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি আটটি পদে ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে দপ্তর সম্পাদক পদও রয়েছে।নির্বাচনে মোট ভোটার ১ হাজার ২০৯ জন। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একজন ভোটার আটটি পদে মোট নয়টি ভোট দিতে পারবেন।নির্বাচনকে ঘিরে আলমডাঙ্গার ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এখন ভোটারদের প্রত্যক্ষ রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন দপ্তর সম্পাদক পদসহ বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা।









