ভারতে পাচারের পরিকল্পনার অভিযোগ; উদ্ধার মূর্তির ওজন ৮৯ কেজি
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত রাখার অভিযোগে ৮৯ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের তিনটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা মূর্তিগুলোর মোট ওজন ৮৯ কেজি ১০০ গ্রাম।রোববার (২৫ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের ধুরইল এলাকায় বিজিবি, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে এসব মূর্তি উদ্ধার করা হয়। জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাশপিয়া তাসরিন উপস্থিত ছিলেন।আটক ব্যক্তিরা হলেন পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের ধুরইল গ্রামের সন্তোষ মাহাত (৩৫) এবং পূর্ব বালিঘাটা গ্রামের সুজন চন্দ্র রায় (৩৪)। তাঁদের বিরুদ্ধে কষ্টিপাথরের মূর্তি ভারতে পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।তিন মূর্তির ওজন ৮৯ কেজি ১০০ গ্রামবিজিবি সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা তিনটি মূর্তির মধ্যে একটির ওজন ৪২ কেজি ৭০০ গ্রাম, দ্বিতীয়টির ওজন ৩৭ কেজি ৬০০ গ্রাম এবং কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তিটির ওজন ৮ কেজি ৮০০ গ্রাম। তিনটি মূর্তির মোট ওজন ৮৯ কেজি ১০০ গ্রাম। এগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৯ লাখ ১০ হাজার টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।উদ্ধার করা মূর্তিগুলো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় অবস্থিত পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার জাদুঘর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মূর্তিগুলোর ঐতিহাসিক পরিচয়, সময়কাল ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ।পাচারচক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তের প্রয়োজনপ্রাচীন নিদর্শন পাচারের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, মূর্তিগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং কীভাবে সেগুলো সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।এ ঘটনায় পাঁচবিবি থানায় মামলা দায়ের এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।









