চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির কার্যকরী পরিষদের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা। দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রার্থীদের গণসংযোগ ও নির্বাচনী তৎপরতা। ভোটারদের সমর্থন আদায়ে বাজার, বিপণিবিতান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন প্রার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় দপ্তর সম্পাদক পদপ্রার্থী এম সনজু আহমেদ টিয়া পাখি প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার এরশাদপুর, গোবিন্দপুর, নতুন বাসস্ট্যান্ড, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, সোনাপট্টি ও স্টেশন রোডের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় ব্যবসায়ীদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের সমস্যা, প্রত্যাশা ও বণিক সমিতির কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন।গণসংযোগকালে এম সনজু আহমেদ ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন পরামর্শ ও মতামত শোনেন। নির্বাচিত হলে সমিতির দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও গতিশীল করা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং সদস্যদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে টিয়া পাখি প্রতীকে ভোট দিয়ে তাঁকে বিজয়ী করার জন্য ব্যবসায়ী ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।এম সনজু আহমেদ বলেন, “বণিক সমিতি ব্যবসায়ীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন। এ সংগঠনের দাপ্তরিক কার্যক্রম স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ও গতিশীল রাখা জরুরি। নির্বাচিত হলে সদস্যদের তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ, দাপ্তরিক কাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে চাই। এ জন্য সবার দোয়া, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট প্রত্যাশা করছি।”তিনি আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির সদস্য, সনজু ফার্নিচারের স্বত্বাধিকারী এবং আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্যবসা, সাংবাদিকতা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।এদিকে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রার্থীদের মধ্যে বাড়ছে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতা। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা, তাঁদের মতামত শোনা এবং নির্বাচিত হলে কীভাবে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, তা তুলে ধরছেন প্রার্থীরা। বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসায়িক এলাকায় প্রার্থীদের উপস্থিতি এবং গণসংযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলেও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অনেকে মনে করছেন, ভোটারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, তাঁদের সমস্যা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সাংগঠনিক দক্ষতা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁদের প্রত্যাশা, আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে এমন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে, যারা ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা এবং বণিক সমিতির কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে ভূমিকা রাখবেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা বণিক সমিতি সম্ভাব্য ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে সমিতির সদস্যসংখ্যা ১ হাজার ২০৯ জন বলে জানা গেছে। চুয়াডাঙ্গা জেলার অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়ী সংগঠন হিসেবে পরিচিত এ সমিতির কার্যকরী পরিষদের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন আগামী ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা আরও জোরদার হচ্ছে। এখন ভোটারদের মতামত, সমর্থন ও সিদ্ধান্তের দিকেই নজর প্রার্থী ও ব্যবসায়ী মহলের।









