চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির কার্যকরী পরিষদের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে ব্যবসায়ী মহল। নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে জমে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। এরই মধ্যে দপ্তর সম্পাদক পদপ্রার্থী এম সনজু আহমেদের টিয়া পাখি প্রতীকে প্রচারণা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।রোববার (২৫ অক্টোবর) আলমডাঙ্গার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করতে দেখা যায় এম সনজু আহমেদকে। ব্যবসায়ীদের খোঁজখবর নেওয়া, তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনা এবং সমিতির কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করে ভোটারদের সমর্থন চাইছেন তিনি।প্রচারণায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক, তাঁদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং বণিক সমিতির দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও গতিশীল করার বিষয়গুলো তুলে ধরছেন এই প্রার্থী। তাঁর ধারাবাহিক গণসংযোগ ও ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ নির্বাচনী আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।এম সনজু আহমেদ বলেন, বণিক সমিতি ব্যবসায়ীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন। এই সংগঠনের দাপ্তরিক কার্যক্রম স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ও গতিশীল রাখা প্রয়োজন। নির্বাচিত হলে সদস্যদের তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ, দাপ্তরিক কাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদারে কাজ করতে চান তিনি। এ জন্য ব্যবসায়ী ভোটারদের দোয়া, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট কামনা করেন।এম সনজু আহমেদ সনজু ফার্নিচারের স্বত্বাধিকারী, আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির সদস্য এবং আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক। ব্যবসা, সাংবাদিকতা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর পরিচিতি রয়েছে।এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে আলমডাঙ্গার বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসায়িক এলাকায় প্রার্থীদের প্রচারণা বাড়ছে। ভোটারদের মন জয় করতে কেউ ব্যক্তিগত যোগাযোগ, কেউ গণসংযোগ, আবার কেউ নিজেদের নির্বাচনী পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। ফলে নির্বাচন ঘিরে ব্যবসায়ী মহলে বাড়ছে আলোচনা ও আগ্রহ।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির বর্তমান সদস্যসংখ্যা ১ হাজার ২০৯ জন। আগামী ৩১ অক্টোবর শনিবার সমিতির কার্যকরী পরিষদের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রার্থীদের তৎপরতা। শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কাকে বেছে নেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।









