চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনার্স প্রথম বর্ষ ও একাদশ শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীনবরণ ও ‘একাডেমিক ফেস্ট-২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ৯টায় শহীদ সাটু অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ শাখা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখার সভাপতি ইউসুফ আল গালিব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তোহরুল ইসলাম সোহেলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও নবীন শিক্ষার্থীরা।শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের আহ্বানপ্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করলেই হবে না, বরং নৈতিকতা, সততা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের গুণে গুণান্বিত হতে হবে। নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখতে হবে।”তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত চরিত্র গঠন এবং দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি চরিত্র গঠনে গুরুত্বপ্রধান আলোচক জাহিদুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষাজীবন মানুষের ভবিষ্যৎ গড়ার গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিক চরিত্র গঠন, নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ এবং সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।”তিনি শিক্ষার্থীদের সময়ের সঠিক ব্যবহার, নিয়মিত অধ্যয়ন এবং নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান ইতিবাচক নেতৃত্ব বিকাশের ওপর গুরুত্ববিশেষ আকর্ষণ ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, “নতুন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজজীবনকে জ্ঞান অর্জন, সৃজনশীলতা এবং ইতিবাচক নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। শিক্ষার্থীদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থেকে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে।”তিনি শিক্ষার্থীদের নিজেদের দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি সমাজের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।ফুলেল শুভেচ্ছায় নবীনদের বরণঅনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাঁদের শিক্ষাজীবনের নতুন অধ্যায়ে স্বাগত জানানো হয়। আয়োজকেরা জানান, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি বৃদ্ধি, পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং ইতিবাচক নেতৃত্বের চর্চা জোরদার করার প্রত্যাশা রয়েছে।নবীন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষাজীবনে সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও সৃজনশীলতার বিকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।









