নতুন কন্টিনজেন্টের ১১১ সদস্যের ঢাকা ত্যাগ, নেতৃত্বে এয়ার কমডোর এ টি এম ইরফানুর রহমানগণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ইউটিলিটি এভিয়েশন ইউনিটের ১৩৫ সদস্যের কন্টিনজেন্ট প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে নতুন কন্টিনজেন্টের (BANUAU-23) ১১১ সদস্য বুধবার (৪ নভেম্বর) জাতিসংঘের ভাড়া করা ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।নতুন কন্টিনজেন্টের নেতৃত্ব দেবেন এয়ার কমডোর এ টি এম ইরফানুর রহমান, বিপিপি, পিএসসি, জিডি (পি)। কঙ্গোতে চলমান সংঘাত নিরসন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে দেশটির সরকার ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।নতুন কন্টিনজেন্টের সদস্যরা পূর্ববর্তী সদস্যদের অর্জিত সুনাম ও সাফল্য অক্ষুণ্ন রেখে মিশনে আরও উৎকর্ষতা অর্জন করতে পারেন—এ কামনায় বুধবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল রুসাদ দীন আছাদ, বিবিপি, ওএসপি, বিপিপি, এনডিইউ, এওডব্লিউসি, পিএসসি এবং বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে শান্তিরক্ষীদের বিদায় জানান।এর আগে গত ১ নভেম্বর (রোববার) বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, বিবিপি, ওএসপি, জিইউপি, এনএসডব্লিউসি, পিএসসি কঙ্গোগামী কন্টিনজেন্ট সদস্যদের উদ্দেশে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে ব্রিফিং দেন। এ সময় তিনি মিশনের সাফল্য কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।ব্রিফিংয়ে বিমান বাহিনী প্রধান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সততা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তথা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার আহ্বান জানান।









