জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সাহিত্য, প্রগতিশীল দর্শন ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় শুরু হয়েছে ‘নজরুলবর্ষ’ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি। চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের আয়োজনে আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের সেমিনার কক্ষে উক্ত আলোচনা ও প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরিফের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান চলাকালীন তিনি ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে উপস্থিত সকলের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ‘নজরুলবর্ষ’ সফল করার জন্য সবাইকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান। আলমডাঙ্গা কলা কেন্দ্রের সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক মো. খাইরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার মো. সাইফুল হাসান মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জাসাসের সভাপতি শহিদুল হক বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিমুল হাবিব সেলিম, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হুসাইন মালিক, অরিন্দম সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক হিরন উর রশিদ শান্ত
উপজেলা জাসাসের সভাপতি মো. আনোয়ার রশীদ সাগর, আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাহিদ হাসান, আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. বশিরুল আলম এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর ফাহিম ফয়সাল। এছাড়াও স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গুণী ব্যক্তিত্ব গল্পকার পিন্টু রহমান, কবি আসিফ জাহান, কবি গোলাম রহমান, ডা. অমল কুমার বিশ্বাস, রহমান মুকুল ও লতিফ শাহসহ বহু সংস্কৃতিপ্রেমী উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ‘নজরুলবর্ষ’কে অর্থবহ করতে কবিতা আবৃত্তি, আলোচনা সভা, নিয়মিত সাহিত্যচর্চা এবং নজরুলের জীবন-দর্শনকেন্দ্রিক নানা সাংস্কৃতিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম কেবল দ্রোহের কবি নন, তিনি সাম্য, প্রেম, মানবতা ও প্রগতির প্রতীক। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সমাজ গঠনে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে নজরুলের সৃষ্টির বহুমাত্রিক চর্চা অত্যন্ত জরুরি। আলমডাঙ্গার সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিরা এই আয়োজনকে সফল ও সার্থক করে তুলতে সার্বিক সহযোগিতার দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ করেন।








