লেখক “নজর আলী”
আমরা কতিপয় গোনাহগার কর্মকর্তা, কর্মচারী তিন দিন ধরে বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের হামদ, নাত, সংগীত,আবৃতি, বিভিন্ন বয়সের ছবি আকা, এবং কবির জীবনী নিয়ে রচনা লেখা, উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতার বিচারিক কার্যক্রম শেষ করলাম।
কেন গোনাহগার বললাম ;
কিছু ইভেন্টে কোন পার্টিসিপ্যান্ট ছিলনা! বিশেষ করে কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ে। আজকের অবস্থা সবচেয়ে বেশী খারাপ, আজ আমরা
৫ টি পর্যায়ের ৫ জনই প্রতিযোগী পেয়েছি, যারা স্ব স্ব ইভেন্ট ফাস্ট হয়েছে।
সবাই বলেন নায়ুজুবিল্লাহ!
আজ যদি কবি নজরুল আমাদের মডেল স্কুলে উপস্থিত থাকতেন তবে তিনি কেন্দেই মরে যেতেন। এই বিকৃত আনুষ্ঠানিকতার জন্য
কাওকে দায়ি করার সুযোগ আমার নেই।
একজন প্রতিযোগির গান শুনে; জিজ্ঞেস করলাম : আম্মু তোমার এতো সুন্দর কন্ঠ – চর্চা করবে।
উত্তর দিলেনঃ
গাওয়া ছেড়ে দিয়েছি!
অথচ সে কেবল ইন্টারমিডিয়েট পড়ে!
আমি ছাড়বার কারন জানি!
এই প্রজন্ম একটা বিশেষ জিনিসের অন্ধ পুজা করা শুরু করেছে, কিছু না জেনেও ভাব দেখায় সব জানে।
যাইহোক, সঠিক মুল্যায়ন না হলে সে জিনিস হারিয়ে যাবে।
এত বড়ো একটা উপজেলা অথচ পার্টিসিপ্যান্ট নেই! যা দুএক জন তারা সবাই এই শহরের।
প্রচার যতটুকুই হোক, নজরুল চর্চা যে একদম তলানিতে তাহা বুঝিতে বাকি রইলো না!
সবশেষে কতৃপক্ষে বলতে চাই, একটু দায়িত্বশীল হয়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সেবা করুন তা না হলে
বিস্বাদ বেহুদা জীবনের মত রাষ্ট্রও অচল হয়ে যাবে!
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন আমিন।









