মেধা, মনন ও জ্ঞানসাধনার সমন্বয়ে ইসলামী শিক্ষা, গবেষণা, সমাজসংস্কার ও বাংলা সাহিত্যচর্চায় স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন আলেম, লেখক, গবেষক ও সুবক্তা শায়খ ইমদাদুল হক। ১৯৮২ সালের ২৫ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে নানাবাড়িতে তাঁর জন্ম। পৈতৃক নিবাস আলমডাঙ্গা উপজেলার নওলামারি গ্রামে। ঢাকার জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলূম, ফরিদাবাদ থেকে ২০০৪ সালে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করার পর ইফতা বিভাগে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন তিনি।
বর্তমানে আলমডাঙ্গা শহরে শিক্ষকতা, ইমামতি ও খতিবের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তরুণদের জ্ঞানচর্চা ও সৃজনশীল কাজে উৎসাহিত করছেন। তিনি আলমডাঙ্গার ‘জ্ঞানগৃহ’খ্যাত ‘নিমগ্ন পাঠাগার’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ‘কল্যাণকর জ্ঞান, কল্যাণকর মানুষ’ প্রত্যয়কে সামনে রেখে পাঠাগারটি পাঠাভ্যাস ও মননশীল সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছে। ইসলামী জ্ঞানের পাশাপাশি বাংলা সাহিত্যেও তাঁর রয়েছে গভীর আগ্রহ। জীবনানন্দ দাশ ও কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যভাবনা তাঁকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে। ছোটগল্প, গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ, অনুবাদ, সম্পাদনা ও সংকলনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর বিচরণ রয়েছে। জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তাঁর বহু লেখা। এ পর্যন্ত তাঁর রচিত, সম্পাদিত, অনূদিত ও সংকলিত গ্রন্থের সংখ্যা ২২টি।
ইসলামী দাওয়াহ, গবেষণা, পাঠাগার আন্দোলন, শিক্ষাবিস্তার ও সমাজসংস্কারের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মধ্যে বইপড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে কাজ করে চলেছেন তিনি। জ্ঞান, মানবিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠনে তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টা তাঁকে আলমডাঙ্গার সাহিত্য ও জ্ঞানচর্চার অঙ্গনে একটি স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।








