ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর বনাম ফুকরা গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানান, সালথা কলেজের বাংলা প্রভাষক সাখাওয়াত হোসেন জয়নাল এবং এডভোকেট লাভলুর সমর্থকরা। সোনাপুর ইউনিয়নের বিএনপি’র সভাপতি মাওলানা মোঃ আজিজুল হকের সমর্থকদের বিনা কারণে তিনজনকে গুরুত্ব আহত করে। এ খবর শুনে বিএনপি’র সভাপতি এর সমর্থকরা জড়ো হলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা শুরু হয়। এই সংঘর্ষে সোনাপুর গ্রামের নেতৃত্ব দেন সালথা সরকারি কলেজের প্রফেসর শাখাওয়াত হোসেন জয়নাল, এবং লাভলু। যাদের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য আজ এই সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। আনুমানিক বিকাল ৪ টার দিকে এই সংঘর্ষ শুরু হয় প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপী এই সংঘর্ষ চলে এতে উভয় পক্ষের ২০ থেকে ৩০ জন আহত হয়েছেন, গুরুতর আহতদের চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদেরকে বিভিন্ন ক্লিনিক এবং স্থানীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দুই পক্ষের কারো সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে সোনাপুর ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি মাওলানা মোঃ আজিজুল হক বলেন, আমি আগেও বলেছি এখনও বলি আমি শান্তিতে বিশ্বাসী আমি কখনো ঝামেলা চাই না এবং ঝামেলা করতে চাই না। আজ খামাখা নির্দোষ আমার তিন থেকে চারজন ব্যক্তি কে সাখাওয়াত হোসেন জয়নাল এবং লাভলুর নির্দেশেই তাদেরকে ভাবে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে তারা আমাকে প্রাণ নাসের হুমকি দিলে আমার সমর্থকরা তাদেরকে পাল্টা দোয়া করে। এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ বাবলুর রহমান খান বলেন, খবর পেয়ে আমি আমার সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এখন এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে বলে তিনি জানান।









