প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কূটনৈতিক সাফল্যের নতুন মাইলফলক: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানঢাকা, ৪ জুন ২০২৬:বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার বিরল সম্মান অর্জনের পর দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।বৃহস্পতিবার ঢাকায় পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফোরামের সভাপতি হিসেবে একজন বাংলাদেশির নির্বাচিত হওয়া দেশের জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ অর্জন। এটি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা এবং বহুমাত্রিক কূটনৈতিক সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।ড. খলিলুর রহমানের এ অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৈশ্বিক শান্তি, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।সরকারি সূত্র জানায়, বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগ, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের ফলে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে নতুন আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ড. খলিলুর রহমানের এ সাফল্য সেই ধারাবাহিক অগ্রযাত্রারই একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।দেশে ফেরার পর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁর এই আন্তর্জাতিক অর্জনকে বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে অভিহিত করেছেন।বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বিশ্ব কূটনীতিতে বাংলাদেশের উপস্থিতি আরও দৃশ্যমান হবে এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের মতামত ও অবস্থান আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে।









