মেঘের গরজে জেগে ওঠে প্রাণ মরণাহত
অভিবাসী মেঘ এ পৃথিবীতে আমি পরাশ্রিত!
ভীন দেশ থেকে তোমাদের দেশে শরণার্থীরে
ডাকে কালিদাস -দূত ধেয়ে চলি যক্ষ দুয়ারে।
যেতে যেতে দেখি দল বাঁধা মেঘ, আমি একঘরে
আকাশের বুকে দলছুট চলি জল বুকে ধরে।
সব দেশ জুড়ে কাঁটাতারে ঘেরা রুদ্ধ সীমানা
কাঁটাতার ভেদে রক্ত দুপায়ে ঘরে ঢোকা মানা!
কাজল মেঘের নায়ে ভেসে ভেসে শাপলার বনে
নিরবধি ঝরি ঝিলের দুকুল ভাসাতে প্লাবনে।
ফুল হেসে বলে, ডেকে নেবে কবি এ রূপ পিয়াসী
জল সিঞ্চনে কায়াহীন দেখি কবিতার হাসি!
জগৎ সভায় রাজ সম্মানে কবি সম্বর্ধনা
শাপলার রূপ কবির কলমে অতুল রচনা!
জাত কুল হারা পৃথিবী রাজ্য দেয় নি ঠিকানা
জাতি সত্বার রেশনবিহনে খাদ্য জোটে না।
এ দেশ ও দেশ ঘুরে ঘুরে আজ ক্লান্ত চরণে
তোমাদের দেশও ছেড়ে চলে যাবো অন্য ভুবনে।
খাস জমি যদি বর্গা পেতাম লুটের বাজারে
সাড়ে তিন হাত ভিক্ষা নিতাম ঘুমানোর তরে!
দয়া করে দাও এইটুকু শুধু দয়াভরা মুখ
অভিবাসী তাতে ক্ষোভ বলো কিসে- ওপারে তো সুখ!









