বাগেরহাট প্রতিনিধি: বিশ্ব ঐতিহ্যের অনন্য নিদর্শন ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এর পরিচিতি বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।পরিদর্শনকালে মন্ত্রী মসজিদের অনন্য স্থাপত্যশৈলী, নান্দনিক কারুকাজ ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি ঐতিহাসিক স্থাপনাটির বিভিন্ন শৈল্পিক বৈশিষ্ট্য এবং সংরক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।এ সময় সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ষাট গম্বুজ মসজিদ শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি সমগ্র বিশ্বের অমূল্য সাংস্কৃতিক সম্পদ। দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, স্থাপত্যশিল্প ও ঐতিহ্যের অনন্য পরিচায়ক এ স্থাপনা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। এ ধরনের প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মূল স্থাপত্যবৈশিষ্ট্য ও ঐতিহাসিক স্বকীয়তা অক্ষুণ্ন রেখে যথাযথ সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এসব ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।মন্ত্রী বলেন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কেবল অতীতের স্মারক নয়, এটি জাতীয় পরিচয় ও আত্মমর্যাদার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সম্পর্কে সচেতন করে তোলার পাশাপাশি এসব ঐতিহ্যের যথাযথ প্রচার ও আন্তর্জাতিক পরিচিতি বাড়াতে উদ্যোগ জোরদার করতে হবে।পরিদর্শনকালে মন্ত্রী উপস্থিত দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা ও মতামত শোনেন।এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা-বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক ও কাস্টোডিয়ান উপস্থিত ছিলেন।









