চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে সহিংসতা, মাদকদ্রব্য ও ওয়ারেন্টভুক্ত মামলায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। ৯ ও ১০ অক্টোবর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় দুই অভিযানে মোট ৫৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ারের নির্দেশনায় এবং আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এসব অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ জানায়, ১০ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রেল জগন্নাথপুর স্কুলপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে মো. সাফায়েত আলী (২৮) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আলমডাঙ্গা থানার একটি বিস্ফোরক আইনের মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি। মামলাটি গত ৩০ এপ্রিল খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হামলা, নির্যাতন, গাড়ি ভাঙচুর ও নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা হয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
অন্যদিকে, ৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে আলমডাঙ্গা স্টেশনপাড়া গণশৌচাগারের সামনের সড়কে অভিযান চালিয়ে মো. রবিউল ইসলাম (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৫০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে ১৩টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
একই দিন রাত ১১টা ৫ মিনিটের দিকে গোবিন্দপুর গ্রামের হরিতলা মন্দিরের পেছনে অভিযান চালিয়ে সুজন আলী (৩১) নামে আরেক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, তাঁর বসতবাড়ির উঠান থেকে তিনটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে সামারি ট্রায়াল প্রসিকিউশন করা হয়েছে। এ ছাড়া ১০ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ক্যানেলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মনিরুল ইসলাম ওরফে বন্টু (৩২) এবং একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোবিন্দপুর স্কুলপাড়া থেকে সিআর-১৭৩/২৪ নম্বর মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. বাধনকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার পাঁচজনকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।









