চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের একটি পরিত্যক্ত গভীর সেপটিক ট্যাংক থেকে দুই দিন ধরে আটকে থাকা একটি শেয়ালকে জীবিত ও নিরাপদে উদ্ধার করেছে ‘জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ যুব সংস্থা’র রেসকিউ টিম।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কলেজ প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সময় জঙ্গলাকীর্ণ এলাকায় থাকা একটি পুরোনো সেপটিক ট্যাংকের ভাঙা ঢাকনা দিয়ে শ্রমিকরা ভেতরে শেয়ালটি আটকে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি কলেজ প্রশাসনকে জানানো হলে অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মফিজুর রহমান শেয়ালটি উদ্ধারের উদ্যোগ নেন এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ যুব সংস্থার রেসকিউ টিমকে খবর দেন।খবর পেয়ে সংগঠনটির রেসকিউ টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। প্রাথমিক পরিদর্শনে দেখা যায়, প্রায় ১২ ফুট গভীর ট্যাংকের নিচে শেয়ালটি আটকা পড়ে আছে। দীর্ঘ দুই দিন আটকে থাকায় প্রাণীটি দুর্বল ও নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল।পরে রেসকিউ টিমের প্রধান মো. মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে শেয়ালটি উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু হয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর কোনো ধরনের আঘাত ছাড়াই শেয়ালটিকে ট্যাংক থেকে নিরাপদে ওপরে তুলে আনা হয়। পরে সেটিকে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করা হয়।শেয়ালটি জীবিত উদ্ধার ও অবমুক্ত করার পর স্বস্তি ফিরে আসে উপস্থিত সবার মধ্যে। কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ যুব সংস্থার রেসকিউ টিমের এই উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়।উদ্ধার অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মফিজুর রহমান, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মহিতুর রহমান, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ যুব সংস্থার সভাপতি সাঈদ এম হিরন, সাধারণ সম্পাদক আরাফাত রহমান এবং সংগঠনের উপদেষ্টা ও কলেজের ভূগোল বিভাগের প্রধান ড. মাহাবুব আলম।এ ছাড়া রেসকিউ অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন সংগঠনের রেসকিউ টিমের সদস্য মো. মাহমুদুল হাসান, স্বাধীন আলী, মাহফুজুর রহমান সবুজ, আকাশ আহমেদ ও সাইদুজ্জামান শাওন।








