চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী পৃথক অভিযানে মাদকসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সময়ে বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত ও তদন্তে পাওয়া সন্দেহভাজন আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জামজামী পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আলীর নেতৃত্বে জামজামী বাজার থেকে আলমডাঙ্গাগামী সড়কের পাশে প্রতিভা প্রি-ক্যাডেট স্কুলের টিনশেড ঘরের সামনে অভিযান চালানো হয়। এ সময় জনি আলী ওরফে জাহাঙ্গীর (২৬), আকাশ আলী (২৪) ও শাহিন (২৮)কে দুটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও এক পুরিয়া গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
একই রাতে এসআই শাহরিয়ার হোসেন রুবেলের নেতৃত্বে আসাননগর এলাকার শহিদুল ইসলাম মেম্বারের মেহগনি বাগানে অভিযান চালিয়ে আব্দুর রশিদ (৫৫) ও সোহাগ (৩৮)কে দুটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ছাড়া হাটবোয়ালিয়া গ্রামের এসকে এসবি ইটভাটার উত্তর পাশে অভিযান চালিয়ে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গজারিয়া গ্রামের তপন ওরফে দবির মালিথা (২৩)কে এক গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। ফরিদপুর দোহারপাড়া এলাকায় মদিন সাহেবের পুকুরের সামনে অভিযান চালিয়ে গোবিন্দপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম (৫৫)কে এক গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
অন্যদিকে, আলমডাঙ্গা থানার এসআই আলমগীর কবিরের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখের মামলা নম্বর-১৬, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৯৩ ধারার মামলার তদন্তে পাওয়া সন্দেহভাজন আসামি জেহালা গ্রামের লিটন আলী (৩৮) ও গড়চাপড়া গ্রামের তুহিন আলী (২২)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ছাড়া এএসআই জামির আলীর নেতৃত্বে পৃথক অভিযানে আলমডাঙ্গা জিআর-২৮৯/২৪, প্রসেস নম্বর-৫২৪/২৬-এর পরোয়ানাভুক্ত আসামি বক্সীপুর গ্রামের সবুজ আলী (২৫)কে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, মাদকসহ গ্রেপ্তার সাতজনকে সামারী ট্রায়াল প্রসিকিউশনের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়েছে। লিটন আলী ও তুহিন আলীকে সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আর পরোয়ানাভুক্ত আসামি সবুজ আলীকে পরোয়ানামূলে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাণী ইসরাইল বলেন, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।









