পেপারবিহীন সংসদ প্রতিষ্ঠায় ই-পার্লামেন্ট বাস্তবায়নের উদ্যোগ

ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: পেপারবিহীন, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, দক্ষ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার পাশাপাশি সংসদীয় তথ্য ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল রূপান্তর ঘটানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এমপি। এ সময় কমিটির সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ ও এ বি এম মোশাররফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে সংসদের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে পেপারবিহীন সংসদ প্রতিষ্ঠায় ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

পরে জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের আয়োজনে ‘জনসংখ্যা বোনাস, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং আইসিপিডি (ICPD) প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংসদের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, এমপি এবং ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের প্রতিনিধি মিজ ক্যাথেরিন ব্রিন ক্যামকং। কর্মশালায় জনসংখ্যা বোনাসের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং আন্তর্জাতিক জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সম্মেলনের (ICPD) প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জাতীয় সংসদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বক্তারা জনসংখ্যার কাঠামোগত পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং জনসংখ্যা ও উন্নয়নসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংসদীয় কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়। আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার পাশাপাশি সংসদ সদস্যদের তথ্যপ্রাপ্তি, নথি ব্যবস্থাপনা ও সংসদীয় কার্যক্রমে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ই-পার্লামেন্ট ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে সংসদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে কাগজের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি সময় ও ব্যয় সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে সংসদীয় নথি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বিস্তৃত হবে।

Share this news as a Photo Card

সর্বশেষ খবর

পেপারবিহীন সংসদ প্রতিষ্ঠায় ই-পার্লামেন্ট বাস্তবায়নের উদ্যোগ

06 September 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
sftv-bd3
SFtvNewsBD
www.sftvbd.com