চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। একই সময়ে বিভিন্ন মামলায় আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আলমডাঙ্গা রেলস্টেশনের পুরাতন গোডাউনের পূর্ব পাশে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তিন পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ রবিউল (৩১) ও হাফিজুর রহমান (২৬) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার রবিউল আলমডাঙ্গা স্টেশনপাড়ার রেজাউলের ছেলে এবং হাফিজুর রহমান কামালপুরের ইয়ার আলীর ছেলে। অপর অভিযানে আলমডাঙ্গা থানাধীন পারকুলা (আবাসন) গ্রামের আবাসন বটতলা মোড় থেকে দুই পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ নাজমুল মালিতা (৩২) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি পারকুলা খালপাড়ার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে আলমডাঙ্গা থানার মাদক মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হারদী কাউন্সিলপাড়ার মোহাম্মদ জসিম মণ্ডলের ছেলে খোকন আলী (২৬)-কে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া চুরির মামলায় আসাননগরের নাসির উদ্দিনের ছেলে মানিক ইসলাম (২৬) ও দর্শনা থানার আকুন্দবাড়িয়ার মৃত নজর আলীর ছেলে রাসেদুল ইসলাম (২৬)-কে আলমডাঙ্গা স্টেশনপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ঘোষবিলা গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে মোল্যা ফাহাদ তানভির (২৪)-কে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি জানিক ওরফে জানিককেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পৃথক অভিযানে গ্রেফতার আটজনের মধ্যে মাদক মামলার তিন আসামি রবিউল, হাফিজুর রহমান ও নাজমুল মালিতাকে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য মামলার আসামিদেরও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।









