চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামে স্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে এক ছাত্রীর অবস্থানকে কেন্দ্র করে দিনভর চাঞ্চল্যের পর সন্ধ্যায় স্থানীয়ভাবে বিষয়টির মীমাংসা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে মীমাংসার অংশ হিসেবে এক লাখ ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে সমঝোতা এবং পরবর্তীতে বিচ্ছেদ (ডিভোর্স) সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ওই ছাত্রী স্থানীয় কোচিং শিক্ষক নিশান মাহমুদের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন। এ সময় ঘটনাটি দেখতে এলাকাবাসীর ভিড় জমে।অবস্থানরত ছাত্রীর দাবি ছিল, গত ২৬ জুলাই দুই পরিবারের সম্মতিতে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী কাজির মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। আড়াই লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় এবং বিয়ের পর স্বল্প সময় একসঙ্গে থাকার পর তাকে বাবার বাড়িতে পাঠানো হয়। পরে স্বামী যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং বিচ্ছেদের কথা জানানো হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। তার দাবি, কোনো বৈধ তালাক কার্যকর হয়নি এবং তিনি স্বামীর সংসারে ফিরে যেতে চান।ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিয়ের কাবিননামা ও আলোকচিত্র তাদের কাছে রয়েছে এবং প্রয়োজনে তা উপস্থাপন করা হবে। অপরদিকে, নিশান মাহমুদের পরিবারের দাবি, বিয়ের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।স্থানীয় সূত্রে মেয়েটির বয়স ১৬ বছর বলে দাবি করা হলেও এ বিষয়ে কোনো সরকারি নথি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বয়স-সংক্রান্ত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।দিনভর উভয় পক্ষের স্বজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে একাধিক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টির মীমাংসা হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানায়। তাদের দাবি, সমঝোতার অংশ হিসেবে এক লাখ ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হয় এবং উভয় পক্ষ বিচ্ছেদে সম্মত হয়। তবে অর্থ লেনদেন ও ডিভোর্সের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা কোনো নথিপত্র তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিশান মাহমুদ ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।








