বেতন-ভাতা, ইএফটি নথি ও আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা আলমডাঙ্গা অফিসঃ দীর্ঘদিনের নানা অভিযোগের পর আলমডাঙ্গা উপজেলার হাটবোয়ালিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে জেলা শিক্ষা বিভাগ। গত (মঙ্গলবার), সকাল ১০টার দিকে নবাগত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি বিদ্যালয়ে গিয়ে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সরেজমিন অনুসন্ধান চালায়। এ সময় শিক্ষক , কর্মচারী , অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের বেতন-ভাতা , ইএফটি (EFT) সংক্রান্ত নথি , আর্থিক লেনদেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ , মো. ইয়াকুব আলী ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত। তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের মার্কেট নির্মাণে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ , শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম , আর্থিক দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থিত অভিভাবক ও স্থানীয়রা দাবি করেন , এসব অনিয়মের কারণে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত , প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তবে এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. ইয়াকুব আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জেলা শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে , তদন্তে সংগৃহীত নথিপত্র , তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।








