,স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা:চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার গোপালপুর গ্রামে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং কথিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় এক বিএনপি কর্মীকে নির্মমভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আহত ব্যক্তির নাম মো. আব্দুল মজিদ (৩৫)। তিনি গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে এবং মৎস্যজীবী দলের দামুড়হুদা উপজেলা সদস্য ও বিএনপির একজন কর্মী বলে জানা গেছে।আহত আব্দুল মজিদের অভিযোগ, সরকার ঘোষিত মাদক নির্মূল কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছিলেন এবং গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের চেষ্টা করছিলেন। এ কারণে এলাকার একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর রোষানলে পড়েন তিনি।তার দাবি, গত শনিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে বাড়ির নিকটস্থ এলাকায় তাকে অতর্কিতভাবে হামলা করে মারধর করা হয়। হামলাকারীরা বাঁশ ও লাঠি দিয়ে তার দুই পা, দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করে। একপর্যায়ে হামলাকারীরা একটি চাইনিজ কুড়ালও বের করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।স্থানীয়দের চিৎকারে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় জনগণ ও পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।আব্দুল মজিদ অভিযোগ করে বলেন, গোপালপুর গ্রামের আসিফ (২৭), তার চাচা বর্তমান ইউপি সদস্য নজরুল এবং তাদের সহযোগীরা এ হামলার সঙ্গে জড়িত। তাদের মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাকে এভাবে হামলার শিকার হতে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ভবিষ্যতে যাতে কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে না পারে, সেজন্যই তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









