দীর্ঘ ১১ বছরের প্রেমের সম্পর্ক, বিয়ের আশ্বাস ও কথিত কাবিননামার ভিত্তিতে স্বীকৃতির দাবিতে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার মাঠ পাঁচলিয়া গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন সাথী খাতুন (২৯) নামের এক তরুণী।সাথীর দাবি, কিশোরী বয়স থেকে হাসানুজ্জামানের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ভবিষ্যতে সংসার করার স্বপ্ন দেখিয়ে বছরের পর বছর সম্পর্ক বজায় রাখা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে একটি কাবিননামা সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে ১ হাজার টাকা নগদ ও বাকি অর্থ পরিশোধের কথা উল্লেখ ছিল।সাথী খাতুন বলেন, “আমি জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময়টুকু তার ওপর বিশ্বাস করে কাটিয়েছি। পরিবারের অনেক বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি। কারণ আমি বিশ্বাস করতাম, একদিন সে আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করবে।”তার অভিযোগ, সম্প্রতি হাসানুজ্জামান পুলিশ বিভাগে চাকরি পাওয়ার পর থেকে তাকে অস্বীকার করতে শুরু করেন। এমনকি যে কাবিননামার ভিত্তিতে সম্পর্ক চলছিল, সেটিকেও ভুয়া বলে দাবি করা হচ্ছে।অনশনরত সাথী বলেন, “আমি কারও ক্ষতি করতে চাই না। শুধু আমার অধিকার ও সম্মান চাই। যদি সম্পর্ক না থেকেও থাকে, তাহলে কেন ১১ বছর আমার জীবন নিয়ে খেলা করা হলো? আমার এই প্রশ্নের উত্তর চাই।”স্থানীয়দের ভাষ্য, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আলোচনার বিষয়। একাধিকবার সামাজিকভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো ফল আসেনি।শুক্রবার সকাল থেকে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন সাথী। তার দাবি, ন্যায়বিচার ও যথাযথ সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত হাসানুজ্জামানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে সাথী খাতুনের আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার অবস্থান জানা সম্ভব হয়নি।









