বিশেষ করে বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত চুয়াডাঙ্গা ০১ আসনে ব্যাপক ভোটে পরাজয়ের পর আগামী পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন নির্বাচনকে ঘিরে আলমডাঙ্গার রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বিশেষ করে বিএনপির দলীয় নেতা কর্মী ও বিএনপি সমর্থক সাধারণ জনগণ তাদের সদ্য হারিয়ে যাওয়া পরাজয়কে ফিরে পেতে মরিয়া বিভিন্ন চায়ের দোকানের আড্ডা, বাজারের চায়ের কাপে ঝড় কিংবা আলমডাংগা শহরের পাড়া-মহল্লার গল্প সবখানেই ঘুরে ফিরে উচ্চারিত হচ্ছে পৌর ও উপজেলা নির্বাচন নিয়ে তবে পৌর নির্বাচন নিয়ে সহরে বেশি কৌতুহল শুরু হয়েছে তারই ধারাবাহিকতায় অনেক প্রার্থীর মধ্যে হঠাৎ করে মরহুম আমিনুল ইসলাম ও এমদাদুল হক ডাবুর ছোটো ভাই হাসিবুল হক লিপুর নাম, অনেকের মনেই প্রশ্ন সত্যি কি ভোটের মাঠে আসবেন তিনি? যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেননি হাসিবুল হক লিপু, তবুও তার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও আলোচনা দিন দিন বাড়ছে কারন সদ্য শেষ হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে ব্যাপক কর্মকাণ্ড দেখা গেছে এবং বর্তমানে দল মতের বাইরেও তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হিসাবে মাঠে ময়দানে নাম শুনা যাচ্ছে ইতিমধ্যে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানবিক দৃষ্টান্তও রেখেছেন সাধারণ মানুষ তার মানবিক ও সহজ-সরল আচরণের কথা স্মরণ করছেন।এলাকাবাসীর মতে, বর্তমানে পৌর নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন আড্ডা ও আলোচনায় তার নাম বারবার উঠে আসছে। কেউ কেউ মনে করছেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নিলে যে কোনো প্রার্থীর পক্ষে তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কঠিন হবে এবং বিএনপির জয় এক প্রকার নিশ্চিত হতে পারে। এ বিষয়ে আমরা সাংবাদিক হিসেবে বিভিন্ন মাধ্যমে হাসিবুল হক লিপুর সাথে যোগাযোগ করলে লিপু বলেন, আলমডাঙ্গা পৌরবাসীর ভালোবাসা ও আস্থাই আমার রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছি মানুষের পাশে থাকার সুখে-দুঃখে দুর্যোগ কিংবা সংকটে। আমার দল (বিএনপি) ও পৌরবাসী যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা মনে করেন তাহলে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।” তিনি আরও বলেন, একটি দুর্নীতিমুক্ত, পরিচ্ছন্ন শহর আধুনিক মানের পৌরসভা গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। যদিও আমি দলীয় সিদ্ধান্তের বাহিরে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে বর্তমানে চিন্তা করছি না। তবুও পৌর নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে আলোচনা ইতিমধ্যেই আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার রাজনৈতিক অঙ্গনকে সরব করে তুলেছে। অনেকের মতে, তিনি নির্বাচনে অংশ নিলে তা হবে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন।








