চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক সংরক্ষণ ও বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখার অপরাধে আসাদুল এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌর বাজারের সাদা ব্রিজ মোড় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিতে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। এ সময় জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা সালমা জাহান নিপা এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা করে।
অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান জানান, জেলা বীজ প্রত্যয়ন অধিদপ্তর ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আলমডাঙ্গার সাদা ব্রিজ মোড় এলাকায় সার, বীজ ও কীটনাশকের পাঁচ থেকে সাতটি দোকান পরিদর্শন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্যের মান, মেয়াদ, লাইসেন্স ও দোকানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পর্যবেক্ষণ করা হয়। কয়েকটি দোকানে ছোটখাটো অনিয়ম পাওয়ায় প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। তবে একটি প্রতিষ্ঠানে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক পাওয়ায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ ও কীটনাশক কীভাবে সংরক্ষণ করতে হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের নিরাপদ ও মানসম্মত সার, বীজ ও কীটনাশক নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
কীটনাশক ও কৃষি উপকরণ কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পণ্য কেনার আগে উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, নির্ধারিত মূল্য এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা যাচাই করতে হবে। পণ্যের গায়ে এসব তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে তা কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম বা প্রতারণা চোখে পড়লে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বীজ প্রত্যয়ন অধিদপ্তর কিংবা উপজেলা প্রশাসনকে জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।









