১৯০টিরও বেশি দেশের ২ হাজার ২০০ তরুণ নেতার মিলনমেলা, অংশ নিয়েছেন বিশ্বখ্যাত নোবেলজয়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা
দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে অনুষ্ঠিত ওয়ান ইয়াং ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এ অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশ থেকে আসা ২ হাজার ২০০-এর বেশি তরুণ নেতা ও পরিবর্তনকর্মীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ, পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করাই এ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য। প্রতিবছর আয়োজিত এ সম্মেলনে তরুণ পরিবর্তনকর্মীরা নিজেদের ধারণা, অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সহযোগিতার সুযোগ পান।
সম্মেলনে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্বশান্তি, জলবায়ু পরিবর্তন, সামাজিক ন্যায্যতা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি এবং মানবাধিকার। এসব ক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্ম কীভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে, তা নিয়েও মতবিনিময় করছেন অংশগ্রহণকারীরা।
এবারের সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট নেতা, নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী, মানবাধিকারকর্মী ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের খ্যাতিমান ব্যক্তিরা অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জর্ডানের হাশেমাইট রাজ্যের রানি হার ম্যাজেস্টি কুইন রানিয়া আল আবদুল্লাহ, মোজাম্বিকের সাবেক ফার্স্ট লেডি এবং নারী ও শিশুর অধিকারকর্মী গ্রাসা মাচেল।
এ ছাড়া রয়েছেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী তাওয়াক্কল কারমান এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী সাংবাদিক ও র্যাপলারের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মারিয়া রেসা।
সম্মেলনে আরও অংশ নিয়েছেন একাডেমি অ্যাওয়ার্ডজয়ী অভিনেতা, ইউনেসকোর শান্তি ও পুনর্মিলনবিষয়ক বিশেষ দূত এবং হুইটেকার পিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ফরেস্ট হুইটেকার। পাশাপাশি উপস্থিত রয়েছেন সুপরিচিত অভিনেতা, টেলিভিশন উপস্থাপক ও মানবাধিকারকর্মী টেরি ক্রুজ।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ নেতৃত্ব ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একই মঞ্চে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে ওয়ান ইয়াং ওয়ার্ল্ড সামিট বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে নতুন ধারণা, অংশীদারত্ব এবং সম্মিলিত উদ্যোগ তৈরির একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।









