সবার আগে বাংলাদেশ’—এমন বক্তব্য দেওয়া হলেও সরকারের কর্মকাণ্ডে ভারতের প্রতি ভীতির প্রকাশ ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এ নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের বিভিন্ন উপাদান পরিবর্তন ও সরিয়ে ফেলার বিষয়টি সামনে আসার পর সরকারের ভারতনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, জাদুঘরে সীমান্ত হত্যার একটি সেগমেন্ট, সীমান্তে নিহত বাংলাদেশিদের তালিকা এবং ফেলানির একটি ভাস্কর্য ছিল। সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি মোদি বিরোধী আন্দোলনের কিছু স্মৃতি ও ছবিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার হয়তো ভারতকে খুশি করার জন্য এসব পরিবর্তন করেছে। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদার ভিত্তিতে। তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে কোনোভাবেই দলীয় ইতিহাসে পরিণত করা উচিত নয়। জাদুঘরের একটি জাতীয় চরিত্র থাকা প্রয়োজন, যাতে সেখানে প্রকৃত ইতিহাস ও সত্য তুলে ধরা হয়। এদিকে, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই নীতির সঙ্গে সরকারের কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধী নেতাদের অভিযোগ, জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদার প্রশ্নে সরকারের আরও দৃঢ় অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।








