চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের আসাননগর গ্রামে পারিবারিক জটিলতা ও পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। প্রবাসী স্বামীর অনুপস্থিতিতে চাচাতো দেবরের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে এক নারী বর্তমানে বিয়ের দাবিতে দেবরের বাড়িতে অনশন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসাননগর গ্রামের আবু সিদ্দিকীর ছেলে প্রবাসী হৃদয়ের সঙ্গে প্রায় সাত বছর আগে ডাউকি ইউনিয়নের সাবান আলীর মেয়ে শারমিনা খাতুনের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধির আশায় প্রায় দেড় বছর আগে হৃদয় প্রবাসে পাড়ি জমান। অভিযোগ রয়েছে, স্বামী প্রবাসে যাওয়ার প্রায় ছয় মাস পর শারমিনা খাতুন (২২) তার চাচাতো দেওর সমীর আলীর ছেলে মো. সাগর আলী (২০)-এর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সময়ের সঙ্গে তাদের মধ্যে একাধিক শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলেও স্থানীয়দের দাবি। শারমিনার অভিযোগ, সাগরের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে, তবে তা সামাজিকভাবে স্বীকৃতি পাচ্ছে না। এ অবস্থায় শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে শারমিনা খাতুন সাগর আলীর বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন এবং নিজেকে তার স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানান। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন থাকলেও এদিন তা প্রকাশ্যে আসে। এক প্রতিবেশী জানান, “হৃদয় খুবই ভালো ছেলে। পরিবারের সুখের জন্য সে বিদেশে গেছে। কিন্তু তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে দেবরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এখন সে সাগরের বাড়িতে উঠে বিয়ের দাবি করছে।” এদিকে প্রবাসী হৃদয় নাকি ফোনে তার স্ত্রীকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি আর তার সঙ্গে সংসার করবেন না এবং তাকে সাগরের বাড়িতে চলে যেতে বলেন। এর পর থেকেই শারমিনা খাতুন সাগরের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।








