তেতুলিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকান্ডের একাধিক অভিযোগ

তেতুলিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আফরোজ শাহিনবিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকান্ডের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সূত্র ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পূর্ববর্তী কর্মস্থল ডুমুরিয়া উপজেলায় দায়িত্ব পালন করেন। উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি আর্থিক অনিয়মসহ নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। বর্তমানে তেতুলিয়া দায়িত্ব পালনকালেও তার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ উঠছে বলে দাবি স্থানীয়দের।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খুলনা পাইকগাছাদায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, সরকারি নথিতে উল্লেখিত অর্থের তুলনায় বাস্তবে কয়েকগুণ বেশি টাকা লেনদেন হয়েছে। এ সংক্রান্ত কিছু নথিপত্র সংশ্লিষ্টদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও জানা গেছে।
অভিযোগ ডুমুরিয়া পাইকগাছা কর্মরত থাকাকালীন জমিজমা সংক্রান্তা নানান বিষয়ে তিনি অভিযুক্ত ছিলেন।নাম জারি নিস্পক্তিতে দীর্ঘ সুত্রিতা ও গাফিলতি অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডিসিপ্লিনারি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।জানা গেছে, তিনি ২০১৮ সালে বিসিএস ৩৬তম বিসিএস ক্যাডারে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহাকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন। পর্যায়ক্রমে তিনি নড়াইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও ডুমুরিয়া উপজেলা ও সর্বশেষ ২০২৩ সাল থেকে খুলনা জেলার পাইকগাছায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে প্রশাসনের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় এবং পরবর্তীতে জেলা প্রশাসন তাকে সেখান থেকে প্রত্যাহার করে। পরবর্তীতে তিনি তেতুলিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন কর্মস্থলেও বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তার বিরুদ্ধে উঠছে।অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিভিন্ন কাজের আশ্বাস দিয়ে কয়েকজনের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এক ভুক্তভোগী জানান, একটি প্রশাসনিক কাজের জন্য তিনি তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই কাজ সম্পন্ন হয়নি।অপরদিকে একাধিক অভিযোগও উঠেছে ইউএনও বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব ঘটনার কিছু ভিডিও ফুটেজ অনুসন্ধানী প্রতিবেদকদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে, যা যাচাই-বাছাই শেষে শীঘ্রই প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করা হবে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে তেতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আফরোজ শাহিন স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হবে।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031