কালিহাতীতে হামলা ও ১৪৪ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বাংড়া গ্রামে ১৪৪ ধারা অমান্য, ভিডিও ফুটেজ মুছে ফেলতে চাপ প্রদান এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দ শফিকুল ইসলাম।মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুর ২টায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তিনি জানান, তাদের যৌথ মালিকানাধীন জমি ও পারিবারিক কবরস্থানের উপর জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওই কবরস্থানে তার, তার চাচাতো ভাই ডাক্তার সৈয়দ আশরাফ হোসেন (সোনা মিয়া)সহ পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত কবরস্থানের পবিত্রতা রক্ষার্থে নির্মিত দেয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে আদালতের মাধ্যমে গত ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে মোকদ্দমা নং–১০৫/২০২৬ অনুযায়ী উক্ত স্থানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২০ মার্চ সকালে জুবায়েত হোসেন জুয়েল শ্রমিক নিয়ে এসে জারীকৃত ১৪৪ ধারা অমান্য করে মাটি ফেলে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় তাকে দেখতে পেয়ে একই এলাকার মৃত সৈয়দ ফজলু মিয়ার ছেলে সজল, সৈয়দ লাল মিয়ার ছেলে মামুন, মৃত সৈয়দ ফাক্কু মিয়ার ছেলে রিমন, সজলের মা, সেলিমের স্ত্রীসহ কয়েকজন তার ওপর হামলার উদ্দেশ্যে তেড়ে আসে। আত্মরক্ষার্থে তিনি নিজ ঘরের ভিতরে আশ্রয় নেন এবং ভেতর থেকে ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করার চেষ্টা করেন।সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগীর বড় ভাই সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, ডাক্তার সৈয়দ আশরাফ হোসেন (সোনা মিয়া) এবং বোন সৈয়দা সাজেদা আক্তার।লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও জানান, একই দিন জুমাতুল বিদার নামাজ শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে পীরসাব বাড়ির পুকুরঘাট এলাকায় পুনরায় তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় সজল, ফজলু মিয়া, মামুন, রিমন, সজলের মা সহ আরও কয়েকজন তাকে ১৪৪ ধারার মামলা তুলে নিতে এবং ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ মুছে ফেলতে চাপ দেয় এবং কিল-ঘুষি মেরে আহত করে। পরে স্থানীয় মুসল্লিদের সহায়তায় তিনি সেখান থেকে প্রাণে রক্ষা পান।বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন উল্লেখ করে তিনি।প্রশাসনের নিকট ১৪৪ ধারা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার, পৈতৃক বাড়ি ও পারিবারিক কবরস্থানের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা প্রদানের জোর দাবি জানান।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031