এম সনজু আহমেদ চুয়াডাঙ্গা:
আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সিগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে আসিরুল ইসলাম সেলিম আগামী দিনে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সাংবাদিকদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা কামনা করেন।
সোমবার (৯ মার্চ) মুন্সিগঞ্জ বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এ মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আলমডাঙ্গার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আসিরুল ইসলাম সেলিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাহিদ হাসান, সভাপতি, আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাব।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলার সাংবাদিকবৃন্দ ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেহালা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি তাহাজ উদ্দিন মাস্টার, দৈনিক মাথাভাঙ্গার বার্তা সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি ছড়াকার আহাদ আলী মোল্লা।
এছাড়াও আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সোহেল হুদা ও আব্দুল্লাহ হক, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক শাওন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিক সাইফুল ও তানজিদ হিরো, সাংগঠনিক সম্পাদক এম সনজু আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রোকন, কোষাধ্যক্ষ শাহরিয়ার শরিফ, আইসিটি বিষয়ক সম্পাদক কাজী সোহাগ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রিপন আলী এবং কার্যনির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা ও সালাউদ্দিন মুক্তার উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য রহমান মুকুল, প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, ফিরোজ ইফতেখার, দৈনিক মাথাভাঙ্গার শিফট ইনচার্জ আলম আশরাফ এবং সাধারণ সদস্য কলিন মোর্শেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, তানভীর সোহেল, মহিদুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
মতবিনিময়কালে আসিরুল ইসলাম সেলিম বলেন, মুন্সিগঞ্জের মতো একটি ছোট ইউনিয়নে সাংবাদিক বন্ধুদের উপস্থিতি তাকে আনন্দিত করেছে। দীর্ঘদিন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তিনি জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মানুষের দোষ-গুণ থাকেই, তবে সাংবাদিকরা কখনো তার বিরুদ্ধে অযথা কিছু লেখেননি—এ জন্য তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, “যদি আমার কোনো ভুল বা খারাপ দিক থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনারা কলমের মাধ্যমে তা তুলে ধরবেন। তবে আমরা সবাই মিলে আলমডাঙ্গাকে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনে আলমডাঙ্গায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, আগামী দিনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে এ জনপদকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত সমাজে পরিণত করতে হবে। এজন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শেষে তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান।










