চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়ীয়া গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ঈদগাঁও ময়দান পুনরায় সংস্কার ও উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ময়দানটিকে ব্যবহার উপযোগী করতে সেখানে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়েছে।
জানা যায়, ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সানোয়ার হোসেন লাড্ডুর উদ্যোগে এবং গ্রামবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় ঈদগাঁও ময়দানে মাটি ভরাটের কার্যক্রম চলছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভাংবাড়ীয়া গ্রামের এই ঈদগাঁও ময়দানটি দীর্ঘদিন ধরে ঈদের জামাত, জানাজা নামাজসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ময়দানটি নিচু হয়ে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে সেখানে পানি জমে থাকত। ফলে ঈদের নামাজসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে এলাকাবাসীকে নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হতো। অনেক সময় বিকল্প স্থানে ঈদের জামাত আদায়ের বিষয়টিও ভাবতে হয়েছে গ্রামবাসীকে।
এ পরিস্থিতিতে ঈদগাঁও ময়দানটিকে আগের মতো উঁচু ও ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে উদ্যোগ নেন ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সানোয়ার হোসেন লাড্ডু। তার উদ্যোগে এবং গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ময়দানের বেশ কিছু অংশে মাটি ভরাট করা হয়েছে এবং কাজ চলমান রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মাটি ভরাটের কাজ সম্পন্ন হলে ঈদগাঁও ময়দানটি আবারও সুন্দর ও প্রশস্ত রূপ ফিরে পাবে। এতে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সামাজিক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে আয়োজন করা সম্ভব হবে।
মাটি ভরাটের এ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি টিপু সুলতান, স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এছাড়াও বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী উপস্থিত থেকে এ উদ্যোগের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদান করেন।
এলাকাবাসী জানান, ঈদগাঁও ময়দানটি গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক স্থান। তাই এর উন্নয়ন ও সংরক্ষণে সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করছেন। তাদের আশা, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে ময়দানটি আরও সুন্দর ও ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠবে এবং এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য একটি উপযুক্ত ঈদগাঁও হিসেবে আবারও গুরুত্ব ফিরে পাবে।










