আলমডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আ,ফ,ম সিরাজ সামজির ৩য় মৃত্যু বার্ষিকী ও চুয়াডাঙ্গা লেখক সংঘের সাবেক সভাপতি প্রয়াত কবি মইনুল হাসানের উপর বিশেষ আলোচনা সভা ও দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২২ জানুয়ারি বাদ আসর আলমডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের অন্যতম সদস্য কবি সিদ্দিকুর রহমানের ঘরে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আলমডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের সাংগাঠনিক সম্পাদক ও আলাউদ্দিন আহমেদ পাঠাগারের পরিচালক কবি গোলাম রহমান চৌধুরি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্য পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ওমর আলী মাষ্টার। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের সাবেক সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মন্টু।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক হামিদুল ইসলাম আজম,হাটবোয়ালিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি অধ্যাপক আসিফ জাহান। কবি সাইদুর রহমানের উপস্থাপনায় আলোচনায় অংশ নেন, গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতিক পরিষদের সাধারন সম্পাদক কবি হাবিবুর রহমান মজুমদার,চুয়াডাঙ্গা লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক কবি আবুল কালাম আজাদ , সহকারি অধ্যাপক মিজানুর রহমান,কবি বদরুদ্দিন, আসাদুল হক, আব্দুল আজিজ,কিবরিয়া প্রমুখ। প্রধান আলোচক খন্দকার শাহ আলম মন্টু বলেন, সাহিত্য পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত কবি আ,ফ,সিরাজ সামজি ছিলেন একজন প্রতিথযশা সাহিত্যিক,যার অক্লান্ত পরিশ্রমে আলমডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদ গঠিত হয়েছিল।আমাদেরকে উনি যথেষ্ট ভালো বাসতেন। প্রধান অতিথি ওমর আলী মাষ্টার বলেন,কবি আ ফ ম সিরাজ সামজী, একজন সাধক মরমী কবি, তার লেখার চেতনায় প্রমাণ পাওয়া যায় ঐশী প্রেম ও মানবিক প্রেমের উর্বর সত্তা স্রষ্টার সৃষ্টি সেবা ও প্রশংসায় তিনি পঞ্চমুখ। তিনি কবিতাকে ভালোবেসে সাহিত্যাঙ্গনে একটি উজ্জ্বল নাম হয়ে চারিদিকে আলোকিত করেছেন।
১৯৫১ সালে পহেলা মে ফরিদপুর গ্রামে আলমডাঙ্গা থানার চুয়াডাঙ্গা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম ডাক্তার শামসুদ্দিন বিশ্বাস মাতা,মরহুমা মজিরন নেছা, তিনি পিতা-মাতার জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং তিনি চার সন্তানের জনক। ১৯৬৫ সালে সপ্তম শ্রেণীতে পড়বার সময় তিনি প্রথম কবিতা লেখা শুরু করেন ১৯৮৪ সালে আলমডাঙ্গা লেখক শিবির পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে সাহিত্য পরিষদ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি একজন সেজদা মুখী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়নেওয়ালা লোক ছিলেন। সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে পালন করেছেন। নিজ গ্রাম নিজ জমিতে প্রতিষ্ঠা করে গেছেন মাদ্রাসা, মসজিদ, যেখানে হাফিজিয়া ও নূরানী মাদ্রাসা চলমান আছে। তার লেখনীর মাধ্যমে সমাজের কথা, দেশের কথা, ফুটে উঠেছে। মানব কল্যাণে তিনি কিছু জমি বিশ্ব জগত নামে একটি ট্রাস্ট করে দান করেছেন। তার স্বপ্ন তার এলাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হোক ।যে বিদ্যালয়ে সাহিত্য বিষয় নানা শাখা থাকবে, তার লেখা বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকা প্রচারিত হয়েছে। তার পথচলা আলোয় আলোকিত হোক এই কামনা করছি।এছাড়াও কবি মইনুল হাসান ছিলেন একজন প্রেমের কবি,তার প্রচেষ্টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা লেখক সংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিলো। আমারা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।









