
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ভটভটি ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে শাহিন আলম (৩৩) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শাহিন কচাকাটা থানার কুমোদপুর গ্রামের মৃত ভোলা মিয়ার ছেলে। তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে কুমোদপুর বাজারের ‘ভাই ভাই ট্রেডার্স’-এ কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সোনাহাটে মহাজনের টাকা কালেকশন করতে যাওয়ার পথে সোনাহাট দাদামোড়ে তিন চাকার ভটভটির সঙ্গে তাঁর মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ভটভটির মালিক ও চালক বেলাল হোসেন—পাইকেরছড়া (উত্তর গছিডাঙ্গা) গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সম্প্রতি নিজস্ব গাড়ি চালানো শুরু করেন বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার সময় তিনি ভাটা থেকে ইট নিয়ে কচাকাটা অভিমুখে যাচ্ছিলেন।
নিহত শাহিন আলম এক স্ত্রী ও তিন সন্তান—এর মধ্যে দুইজন জমজ ছেলে—রেখে মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ট্রাক-ট্র্যাংকলরি–কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাকটর শ্রমিক ইউনিয়ন (২৪৮৬)-এর সভাপতি হাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রঞ্জু জানান, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ড্রাইভারদের গতি নিয়ন্ত্রণ ও সড়ক নিরাপত্তা মানা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও অটোরিকশারও গতি নিয়ন্ত্রণে চলাচল নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবার সরকারি দুর্ঘটনা সহায়তা তহবিল (BRTA) থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এতে মামলার কপি, পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট, মৃত ব্যক্তির তথ্য সমন্বয়ে এ আবেদন করতে হবে।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল হেলাল মাহমুদ বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় সনাক্ত করার পর পরিবার পরিজনদের খবর দেয়া হয়েছে তারা আসতেছে। আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।










