
টেকনাফের রঙ্গিখালী এলাকার একটি ব্রীজের নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় মোঃ ইউনুস সিকদার মেম্বার (৫০)নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী আনোয়ার প্রজেক্ট সংলগ্ন টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের ব্রীজের নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মোঃ ইউনুস সিকদার উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের চান্দলীপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ কাছিমের ছেলে। তিনি সাবরাং ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। সেই বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ টেকনাফ উপজেলা শাখার বর্তমান সভাপতি দায়িত্বে রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, পানি থেকে উদ্ধারের সময় নিহত ইউনুস সিকদারের পরনে প্যান্ট ছিল। শরীরের ওপরের অংশে কাপড় ছিল না। শরীরেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে রঙ্গিখালী এলাকার একজন বাসিন্দা জানান,ইউনুছ মেম্বারকে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে এসে আটকে রেখে ৭০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করেছে পরিবারের কাছ থেকে। ইউনুস সিকদারের সাথে রঙ্গিখালী একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। রঙ্গিখালী এলাকার মোহাম্মদ আলম প্রকাশ শফিয়া ইউনুসকে দাওয়াত দিয়ে সেখানে নিয়ে যায়। তার দাওয়াতে রাত ৮টার দিকে ইউনুস সিকদার সাবরাং এলাকা থেকে রঙিখালীতে গিয়েছিলেন। এরপর তাকে পরিকল্পিত ভাবে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জায়েদ মো:নাজমুন নুর জানান, বুধবার সকাল আটটার দিকে রঙিখালী এলাকার একটি সেতুর নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় ইউনুস সিকদারের মৃতদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। রঙ্গিখালী এলাকাটি মাদক বেচাবিক্রি এবং ডাকাত-সন্ত্রাসীদের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং এর নেপথ্যে থাকা লোকজনকে শনাক্তের কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টাকার লেনদেন নিয়ে ইউনুস সিকদারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে










