
আলমডাঙ্গার মুন্সিগঞ্জের কৃষ্ণপুর গ্রামের মামুনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাড়ে তিন বছর ধরে দেহ ভোগ করার পর বিয়ে করতে অস্বীকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুদফা সালিস বৈঠকেও সুরাহা না হওয়ায় প্রতারিত প্রেমিকা আদালতের দ্বারস্থ হবে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের হুমায়ুন কবিরের ছেলে মামুন (২৮ ) এর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে দক্ষিণ গোবিন্দপুর গ্রামের এক কলেজ ছাত্রীর। ওই কলেজ ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন, মেসেঞ্জারে আমাদের প্রায়ই কথা হতো। সে আমাকে আমার বিভিন্ন ছবি দিতে বলতো। বিয়ে করবে বলে সে আমার কাছ থেকে অশ্লীল ছবি চাইত। আমি তার আশ্বাসে আমার নিজের একটি গোপন ভিডিও তাকে মেসেঞ্জারে দিই। সেই ভিডিও হাতে পাওয়ার পর আমাকে শারীরিক সম্পর্ক করার প্রস্তাব দিতে থাকে। শারীরিক সম্পর্ক না করলে ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল করবে বলে হুমকি দিয়ে আসছিল। বিয়ের আশ্বাস ও লোক ও লজ্জার ভয়ে তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায়। ওই ভিডিওর ভয় দেখিয়ে সাড়ে তিন বছর আমরা স্বামী-স্ত্রীর মত অবৈধ মেলামেশা করেছি। সে আমাকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতো। তাকে অনেকবার ভিডিও ডিলিট করার জন্য অনুরোধ করলেও কাজ হয়নি। সে আমাকে সব সময় জানিয়েছে সে আমাকে বিয়ে করবে। কয়েকদিন আগে আমাকে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে আমার মোবাইল নাম্বার ও ফেসবুকে ব্লক করে দেয়। আমি দিশেহারা হয়ে পড়ি ও উপায় না পেয়ে গত সোমবার তার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন করতে থাকি। সেখানে তার বাড়ির লোকজন আমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ বিষয়ে সামাজিকভাবে একটি বৈঠক হয়। সেখানেও কোন সুরাহা না হলে গতকাল শুক্রবার বিকালে আবারো স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানেও সে আমাদের প্রেমের কথা ও শারীরিক সম্পর্কের কথা স্বীকার করে। সালিস শেষে বিয়ে করবে না বলে জানান মামুন। আমাদের শারীরিক সম্পর্ক ও কথাবার্তা সবকিছুর মোবাইল রেকর্ডিং ও স্ক্রিনশট সহ ভিডিও আছে। ওই কলেজ ছাত্রী আরো জানান, মামুন আমাকে বিয়ে না করলে আমি আদালতে মামলা করব।
এব্যাপারে অভিযুক্ত মামুনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে, কথা বলতে অস্বীকৃতি জানাই।










