
আলমডাঙ্গা রেলস্টেশন এলাকায় পাখিভ্যানে ওঠা এক নারী যাত্রীর ভ্যানিটি ব্যাগ ভুলবশত থেকে গেলে, সেই ব্যাগে থাকা স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর জামাতা সুমন ঘোষ।সুমন ঘোষ (৩৫), পিতা- মনোজিৎ ঘোষ, মাগুরার শালিখা উপজেলার কুয়াতপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানাধীন কলেজপাড়ায় শরিফ ভিলায় ভাড়া থাকেন এবং সাজেদা ফাউন্ডেশনে ক্রেডিট অফিসার পদে কর্মরত। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২ আগস্ট ২০২৫ তারিখ দুপুর আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটে সুমনের স্ত্রী লাবনী পাল, শ্বাশুড়ী মুক্তা পাল, শালিকা শ্রাবনী পাল ও মায়ের বোন রেবর্তী পাল আলমডাঙ্গা স্টেশনে যাওয়ার জন্য শরিফ ভিলা থেকে একটি পাখিভ্যানে ওঠেন। রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে নামার পর মুক্তা পাল লক্ষ্য করেন, তার ব্যবহৃত ভ্যানিটি ব্যাগটি পাখিভ্যানে রয়ে গেছে। ব্যাগটির মধ্যে ছিল একটি মোবাইল ফোন (নং-০১৭২১৩০৬০০২), আনুমানিক ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন (মূল্য প্রায় ৮৫,০০০ টাকা), ২ আনা ওজনের স্বর্ণের লকেট (মূল্য প্রায় ৩৪,০০০ টাকা), নগদ ৪,২০০ টাকা এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র। পরবর্তীতে মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও কয়েকবার রিং হয়ে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। সুমনের অভিযোগ, ভ্যানচালকই ভ্যানিটি ব্যাগটি আত্মসাৎ করেছেন এবং ইচ্ছাকৃতভাবে মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানার পরেও চালককে চিহ্নিত বা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে তিনি থানায় অভিযোগ দিতে বাধ্য হন। সাধারণ মানুষের দাবি, বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় দেখুক প্রশাসন এবং দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। এ ধরনের ঘটনায় নাগরিকদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হয় এবং চলাফেরায় নিরাপত্তার প্রশ্ন জাগে। আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










