
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ‘পারফরম্যান্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (এসইডিপি)’ স্কিমের আওতায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আলমডাঙ্গা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে উপজেলা ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোছা. দিল আরা চৌধুরী। তিনি তার বক্তব্যে কৃতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, এই সংবর্ধনা তাদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং স্বপ্নের স্বীকৃতি। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, “তোমাদের মধ্যে আমি আগামীর নেতৃত্ব দেখতে পাই। নিজের উপর বিশ্বাস রাখো, নিয়মিত শেখো এবং সমাজ ও দেশের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা চালিয়ে যাও।”
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা আশীষ কুমার বসু। তিনি বলেন, “এই সাফল্য ধরে রাখতে হলে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। ভবিষ্যতে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে একটি আদর্শ ও দায়িত্বশীল জীবন গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মফিজুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জিয়াউল হক, জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিদর্শক মো. মুস্তাকিন বিল্লাহ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু এবং সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইলিয়াছ হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার ইমরুল হক। বক্তব্য দেন বেলগাছি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মামুন রেজা, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম, বেলগাছি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম এবং অভিভাবক প্রতিনিধি আব্দুর রাজ্জাক। কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখে তাফরিন আক্তার তিয়া ও নাবিফ হাসনাত। ২০২২ ও ২০২৩ সালে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী হিসেবে নির্বাচিত ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৪ জন শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট, সনদপত্র এবং আর্থিক সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ও গ্রেডের ভিত্তিতে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কৃতি শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজনটি ছিল আনন্দঘন ও অনুপ্রেরণামূলক এক মিলনমেলা।










