
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, দেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবশ্যই ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করতে হবে। ২৬ জুলাই (শনিবার) দিনাজপুর শহর, চিরিরবন্দর ও বীরগঞ্জের ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন রুকন (পুরুষ ও মহিলা) সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “শত জুলুমের পরও জামায়াতকে আদর্শচ্যুত করা যায়নি। আমাদের রুকনদের দ্বীন ও দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “পিআর পদ্ধতি চালু হলে সংসদে দলীয় প্রভাবমুক্ত ও যোগ্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে এবং মনোনয়ন বাণিজ্যের অবসান ঘটবে। ভোটারের ভোটের প্রকৃত মূল্যায়ন সম্ভব হবে।”
জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদ বিরোধী সব দল ও শক্তির মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি ইসলামী শক্তি ও সমমনা দলগুলোর ঐক্যের মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে ফ্যাসিবাদের অবসানের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আধিপত্যবাদ বিরোধী দেশপ্রেমিক শক্তির মধ্যে ঐক্য ও সমঝোতা জরুরি।”
দিনাজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত এসব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমীর অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ডা. এনামুল হক।
এছাড়াও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক জেলা আমীর ও একাধিক আসনের এমপি প্রার্থীসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার আমীর ও নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখযোগ্য বক্তারা ছিলেন:
মোঃ আফতাব উদ্দিন মোল্লা (দিনাজপুর-৪)
মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম (দিনাজপুর-৬)
অধ্যক্ষ আফজালুল আনাম (দিনাজপুর-২)
মোঃ আনোয়ার হোসেন (দিনাজপুর-৫)
এ্যাডভোকেট মাইনুল আলম (দিনাজপুর-৩)মোঃ মতিউর রহমান (দিনাজপুর-১)
এই সম্মেলন ও বক্তব্য দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসলামী দলগুলোর অবস্থান এবং আগামীর নির্বাচনে অংশগ্রহণে তাদের প্রস্তুতির স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।










