
রফিকুল ইসলাম রফিক,
ঢাকার উত্তরা থেকে র্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার, শনিবার জেলহাজতে পাঠানো হবে|কুড়িগ্রামের রৌমারীতে আলোচিত যুবক আরিফুল ইসলাম (২২) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শাহরিয়ার হোসেন ইমন (২১)-কে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। র্যাব-১ এর সহায়তায় বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাতে রৌমারী থানা পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে। শুক্রবার (১১ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রৌমারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনারুল ইসলাম সরকার। তিনি জানান, গ্রেফতারের পর ইমনকে রৌমারী থানায় এনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাকে কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে পাঠানো হবে।
গ্রেফতারকৃত ইমন উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের ধনারচর চরেরগ্রাম এলাকার আবুল কালাম আজাদের ছেলে।
রৌমারী থানার দায়িত্বরত উপপরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র রায় বলেন, “মামলার অন্যতম প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
নিহত আরিফুল ইসলাম উপজেলার ধনারচর চরেরগ্রামের বাসিন্দা এবং রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সুরুজ্জামানের ছেলে। তিনি নিজের ট্রাক্টর চালিয়ে বালুর ব্যবসা করতেন। এই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে একই এলাকার আবুল কালাম আজাদ ও তার ছেলে ইমনের সঙ্গে আরিফের বিরোধ সৃষ্টি হয়।
পরিবারের অভিযোগ, আজাদকে ‘অসম্মান’ করার অভিযোগ তুলে আরিফকে হুমকি দিয়েছিলেন ইমন। রোববার (১৬ মার্চ) ভোরে আরিফকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেয় আরেক বালু ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ওইদিন সকালে স্থানীয়রা ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্বপাড়ে তার মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে পুলিশ সকাল ৯টার দিকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়। একই দিন রাতে নিহতের বড় ভাই আতিকুর রহমান বাদী হয়ে শাহরিয়ার হোসেন ইমনসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে রৌমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।










