
জামাল উদ্দীন :- কক্সবাজার সীমান্ত উপজেলার টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিশেষ অভিযানে মিয়ানমার থেকে চোরাইপথে আনা ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে মাদক পাচারকারী পালিয়ে গেলেও অভিনব কৌশলে লুকানো মাদকের চালান জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে বিজিবি। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ১৫ জুন ভোরে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধীনস্থ নাজিরপাড়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিআরএম-৬ পয়েন্ট সংলগ্ন আঃ গফুরের ঘের নামক স্থানে এক যুবককে জেলের ছদ্মবেশে মাছের ঝুড়ি ও বৈঠা নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহ হয় বিজিবি সদস্যদের। তাকে থামতে বললে সে পার্শ্ববর্তী জলাবদ্ধ এলাকায় পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যরা ঝড়বৃষ্টির মাঝেও অভিযান চালিয়ে যুবকটির পিছু নেন। সে প্রায় ১.৫ কিলোমিটার দৌড়ে জালিয়াপাড়া গ্রামের ভেতরে ঢুকে পড়লেও তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তার ফেলে যাওয়া মাছের ঝুড়ির ভেতরে কাপড় দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় অভিনব কায়দায় লুকানো ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে বিজিবি। বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি জানান, “মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সর্বদা তৎপর। সীমান্ত এলাকায় জেলেদের ছদ্মবেশ ধারণ করে নদীপথে মাদক পাচারের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।” জব্দকৃত ইয়াবার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। বিজিবি’র পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালানসহ যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে তারা বদ্ধপরিকর।










