
এম. টুকু মাহমুদ,হরিণাকুণ্ডু শহরে প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় প্যাটার্ণ ভিত্তিক (সরিষা-তিল-রোপা আমন) বাস্তবায়িত প্রদর্শনীতে মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (মে ২৮) বিকালে রঘুনাথপুর ইউনিয়নের মন্ডল তোলা গ্রামে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নের এই মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মোঃ আজমুল হক মন্টুর সভাপতিত্বে ও উপসহকারী কৃষি অফিসার,বশির উদ্দিন এর সঞ্চালনায়, উক্ত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার গোবিন্দ কুমার ঘোষ,সাবেক মেম্বর আব্দুল কুদ্দুস। অনুষ্ঠানে বারি তিল-৩ ফসল এবং তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এর কারিগরি দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় ৭০ জন কৃষক উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, দেশের মানুষের চাহিদার কথা বিবেচনা করে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কাজ করছে। বর্তমানে কম খরচে অধিক মুনাফা হওয়ায় তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বাড়াতে তিল চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।পরে অতিথীগণ স্থানীয় কৃষকদের মাঠ পর্যায়ের প্রদর্শনী দেখে কৃষিতে অবদান রাখায় তাদের উৎসাহিত করেন।এ সময়ে প্রধান অতিথীর বক্তব্যে হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কৃষি অফিসার শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর বলেন, ভোজ্যতেল আমদানি করতে প্রতি বছর সরকার একটি বড় অংকের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যায় করে। আমরা যদি রোপা আমন ও বোরো ধান মাঝের ফাঁকা সময়টাতে স্বল্পমেয়াদী সরিষা চাষ করতে পারি তাহলে পারিবারিক চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট তেল উৎপাদন করতে পারবো, এতে সয়াবিন তেলের উপরে চাপ কমবে এবং আমদানি ব্যায় কমবে। একইভাবে সরিষা চাষের পরে যে সমস্ত জমিতে রোপা আমন চাষ করা হয় যে সব জমিতে সরিষা ও রোপা আমনের মাঝে তিল চাষ করা সম্ভব। বারি তিল ৩ চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট এবং বারি তিল ৪ আট প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। এই দুটোরই ফলন অনেক ভালো। এছাড়াও বারি তিল ৫ কনফেকশনারি আইটেমে ব্যবহার উপযোগী হওয়ার রপ্তানির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।










