
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কলেজ ছাত্র ইমন হত্যা মামলায় বানাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পিন্টু তালুকদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উপজেলার গল্লী গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পিন্টু তালুকদারকে থানায় নেওয়া হলে স্থানীয় মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাবিব সিকদার থানায় ছুটে যান আসামীকে ছাড়াতে।ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর পিন্টু তালুকদার কে দীর্ঘদিন এলাকায় দেখা যায়নি। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মির্জাপুরে কলেজ ছাত্র ইমন হত্যা মামলার তালিকাভুক্ত আসামি।জানা যায় হাবিব সিকদার সুপারিশের মাধ্যমে আসামীকে ছাড়ানোর চেষ্টা করেন ।হত্যা মামলা তালিকা তালিকাভুক্ত আসামি থাকায় পুলিশ তাকে ছাড়েনি। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তারা যানান হাবিব সিকদার বিএনপির নাম বিক্রি করে এখনই চাঁদাবাজি শুরু করে দিয়েছে। হালালিয়া,গল্লী,নর্দানা,বরাটিতে,তাহার অবৈধ মাটির ব্যবসা আছে। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ পুলিশ যাকে ধরেছে এই পিন্টু ছিল আওয়ামী লীগ এর সন্ত্রাসী। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাহার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক তোজাম্মেল হোসেন প্রিন্স বলেন বিষয়টি আমি ফেসবুক সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছি, একজন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব কিভাবে তালিকাভুক্ত হত্যা মামলার আসামিকে ছাড়াতে সুপারিশ করিতে যান, এ বিষয়ে আমি টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি ও জেলা ছাত্রদলের আকর্ষণ করছি। তদন্ত কমিটি গঠন করে তাহার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। মির্জাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ রাশেদুল ইসলাম জানান, মির্জাপুরে কলেজ ছাত্র ইমন হত্যা মামলায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পিন্টু তালুকদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
আদালতের মাধ্যমে তাকে টাঙ্গাইল জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।










