
তৌহিদ : মাগুরা জেলার শ্রীপুর সদর ইউনিয়নের মদনপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম নামে এক কৃষকের পুরো ক্ষেতের ধরন্ত মরিচ গাছ কে বা কাহারা কেটে দিয়েছে । শনিবার ১৬ মে রাতে এই নেক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, শ্রীপুর ইউনিয়নের রবিউল ইসলামের মদনপুর-মুজদিয়া মাঠের ১৬ শতাংশ জমির ধরন্ত মরিচ গাছ কে বা কাহারা কেটে/ভেঙে ফেলে রেখেছে। এতে ওই জমিতে থাকা প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ টি মরিচ গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এঘটনা কারা ঘটিয়েছে এটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক রবিউল ইসলাম জানান, সকালে মরিচ গাছগুলোতে সেচ দিতে এসে দেখি সব মরিচ গাছ ভেঙে উপড়ে নষ্ট করে রেখেছে কে বা কাহারা। আমি ঋণের টাকায় মাথার ঘাম পায়ে ফেলে এই ক্ষেত গড়ে তুলেছিলাম। আর এক মাসের মধ্যে বাজারমূল্যে ৪-৫ লক্ষ টাকার মরিচ আমি বিক্রি করতে পারতাম। যে টাকা দিয়ে ঋণ শোধ ও পরিবারের আর্থিক খরচ মেটানোর একমাত্র পথ ছিলো। কিন্তু আজকে আমার সব স্বপ্ন নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মাঠে চাষাবাদকৃত জমির ফসলের নিরাপত্তা না থাকলে গরিব কৃষকেরা কিভাবে বাচবে? আমি প্রশাসন ও এলাকাবাসীর কাছে আমার এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। যত দ্রুত সম্ভব দোষীদের খুজে বের করে প্রশাসন যেন শাস্তি দেয়। পাশাপাশি আমি প্রশাসনের নিকট কৃষকদের জন্য নিরাপত্তা চাই। আমি এই দোষীদের খুজে বের করতে আইনী আশ্রয় নিবো। এ বিষয়ে শ্রীপুর থানা অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) ইদ্রীস আলী জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আব্দুর রশিদ মোল্লা, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি তারিখ: ১৭ মে ২০২৫ইং দনপুর-মুজদিয়া মাঠের ১৬ শতাংশ জমির ধরন্ত মরিচ গাছ কে বা কাহারা কেটে/ভেঙে ফেলে রেখেছে। এতে ওই জমিতে থাকা প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ টি মরিচ গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এঘটনা কারা ঘটিয়েছে এটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক রবিউল ইসলাম জানান, সকালে মরিচ গাছের ক্ষেতে সেচ দিতে গিয়ে দেখি কারা যেন সব মরিচ গাছ ভেঙে উপড়ে নষ্ট করে রেখেছে। আমি অনেক মেহনত করে ঋণের টাকায় মাথার ঘাম পায়ে ফেলে এই ক্ষেত গড়ে তুলেছি। আর এই গড়ে তোলা ক্ষেতের মরিচ বিক্রি করে এক মাসের মধ্যে বাজারমূল্যে ৪-৫ লক্ষ টাকার মত আয় করতে পারতাম। যে টাকা দিয়ে ঋণ শোধ ও পরিবারের আর্থিক খরচ মেটানোর একমাত্র পথ ছিলো। কিন্তু আজকে আমার সব স্বপ্ন নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মাঠে চাষাবাদকৃত জমির ফসলের যদি নিরাপত্তা না থাকলে তাহলে গরিব কৃষকেরা কিভাবে বাচবে? আমি প্রশাসন ও এলাকাবাসীর কাছে আমার এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। দোষীদের খুজে বের করে প্রশাসন যেন শাস্তি দেয়। আমি প্রশাসনের নিকট শুধু আমার নয় সকল কৃষকদের জন্য নিরাপত্তা চাই। দোষীদের খুজে বের করতে আমি আইনী আশ্রয় নিবো। এ বিষয়ে শ্রীপুর থানা অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) ইদ্রীস আলী জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।










