
নিত্যানন্দ মহালদার : ০৬ মে ২৫ ইং তারিখ ২১.৩০-২৩.৩০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বটিয়াঘাটা উপজেলার ০১ নং জলমা ইউনিয়নের দক্ষিন রাঙ্গেমারীর মোঃ ফারুক হোসেন, পিতা: মৃত আকবর আলীর হাঁসের খামারবাড়ি হতে সেনা ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ০১টি ৯ এম এম বিদেশি পিস্তল, ০৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি,০১টি এ্যামোঃ ওয়ান স্যুটার বন্দুক, ০২ রাউন্ড স্যুটার গানের তাজা গুলি ,০৫ টি দেশীয় অস্ত্র, ০১ কেজি অনুঃ গান পাউডার,০৮ টি android মোবাইল ফোন ,০৩ টি বাটন মোবাইল ফোন, ০৪ লিটার বিদেশি মদ, ১৩ টি বিদেশী মদের খালি বোতল, ২ টি হাত ঘড়ি, ০২ টি মোটরসাইকেল, যাহার একটি সাদা রংয়ের ইয়ামাহা নাম্বার যশোর ল ১৩-৮৩৮১ ,ও অন্যটি কালো রংয়ের সুজুকি মোটরসাইকেল যার কোন নাম্বার নাই এবং নগদ অর্থ ৮,৬০০ টাকা সহ খুলনা জেলার কুখ্যাত সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর প্রধান সহকারী কালা তুহিন ও তার দুই জন সহযোগীসহ আটক করে বটিয়াঘাটা থানায় নিয়ে আসা হয়। এবং কালা তুহিন অসুস্থ থাকায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়। আসামিদের পরিচয়ঃ
১) মোঃ তাওহীদ বিশ্বাস ওরফে কালা তুহিন (৩৪)
পিতা: মৃত আব্দুর সাত্তার বিশ্বাস
সাং: বড় দক্ষিণ পাড়া
পোস্টঃ সোহা গ্রাম
থানাঃ কোটালীপাড়া
জেলাঃ গোপালগঞ্জ
২) কে এম মিজানুর রহমান সুজন (৪৫)
পিতাঃ জালাল উদ্দিন
সাং: পশ্চিম টুটপাড়া প্রাইমারি স্কুল রোড
থানাঃ খুলনা সদর
জেলাঃ খুলনা
৩| মোঃ হাবিব (৩০)
পিতাঃ আব্দুল হালিম
সাং: শেখপাড়া বাংগালী বাড়ি
থানাঃ খুলনা
জেলাঃ খুলনা।
*প্রকাশ থাকে যে, উক্ত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা এবং খুলনা সদর থানায়সহ বিভিন্ন থানায় ১২ – ১৫ টি হত্যা এবং চাঁদাবাজি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে,বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্চ মোস্তফা খায়রুল বাশার বলেন মাদক ও সন্ত্রাসীর সাথে কোন আপস নয়, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।










