
শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া : রান্না ঘরে আগুন দিয়ে এলাকাবাসির নামে মামলা, পটুয়াখালী জেলর গলাচিপা থানার ডাকুয়া ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ডে কোহিনুর বেগম মৃত্যু – মতি মাঝি বাদী হয়ে মামলা করেন । ০১.০৪.২৫তারিখে ২:৩০ এর সময় রান্না ঘরে আগুন দেয়২: ৩৫ এর সময় তার দেয়র ১নং সাক্ষি মোঃ নাসির মাঝি দেখতে পায় তার রান্না ঘরে আগুন জ্বলে সাথে সাথে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায় এলাকাবাসী কে ডাক চিৎকার দিয়ে এলাকাবাসী আগুন নিবায় এই ঘটনা ঘটে। এই মামলা টা হয় ০৮.০৪.২৫ইং তারিখে আসামিরা হল ১সোহেল মাঝি পিতা বরজাহান মাঝি ২. ফারুক প্যাদা পিং ফজলে আলি প্যাদা ৩. অশোক গাইন পিং কৃষ্ণ গাইন৪. আসিফ মাঝি পিং মহাসিন মাঝি৫. ফজলু মৃধা পিং সানু মৃধা। এলাকা বাসির কাছে অনুসন্ধানে জানা যায় নাসির মাঝি ৩.০৪.২৫ইং তারিখে থানায় জিডি করে ০১.০৪.২৫ইং রান্নাঘরে ২.৪৫ মিনিটে প্রকৃতি ডাকে উঠতে গিয়ে আগুন জ্বলে কে বা কাহার করেছে আমার জানা নাই। এলাকাবাসী বলে তারা নিজেরাই কেরাসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়েছে তা সত্যতা প্রমাণ পাওয়া গেছে। আরো বলেন নাসির মাঝির গুরুপ খারাপ প্রকৃতির লোক তারা এলাকাবাসীকে অনেক জনকে ক্ষয়ক্ষতি করেছে এবংজোরপূর্ব জমি লিখে নিয়েছে বিগত 17 বছর আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে সোহেল মাঝি পরিবারকে আর বাবাকে মারধরকরে পঙ্গু করে দেয় এবং তাকে ৭টি মিথ্যা মামলা দেয় এলাকা বাসী জমি না দিলে অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি করে এবং অনেক ক্ষতিসাধন করে জমি লিখে নেয়। -সংক্রান্ত বিরোধের তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া ও ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত সাংবাদিকদের নামে গলাচিপা থানার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও সাংবাদিকে ফাঁসানোয় জড়িত গ্রেপ্তার , তদন্ত না করে সাংবাদিকদের নামে মামলাটি গ্রহণ করায় পুলিশের পক্ষপাতিত্বের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। বক্তারা সাংবাদিকদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোয় জড়িত বিচারের দাবি জানান সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা অবিলম্বে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে, খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারিখে সরেজমিনে তদন্তের নোটিশ প্রদান করা হয়।এই তদন্ত কার্যক্রম উপলক্ষ্যে আশেপাশে সশস্ত্র লোকজন জড়ো করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে ঘটনাস্থলে যান এবং তথ্যচিত্র ও ভিডিও ধারণ করে ফিরে আসেন।অদ্ভুত বিষয় হলো, তিনিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাকে ১ নম্বর আসামি করা হয়।তরিঘড়ি করে কাজ সারতে সকল সাংবাদিকেরই নামের ভুল বানান, আংশিক নাম ও মোবাইল ফোন নম্বর উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করা হয়।প্রতিপক্ষের হামলার শিকার মো.সোহেল রানা, ফোনের প্রেক্ষিতে গলাচিপা থানার সাব-ইন্সপেক্টর ও দ্বিতীয় কর্মকর্তা সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, তখন থেকেই আমরা সাংবাদিকেরা তাদের (পুলিশ) সঙ্গে থেকে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করি। এবং আমরা সাংবাদিকেরা পুলিশের সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করি। তার পরও কেন আমাদের নামে মামলা হলো তা বোধগম্য নয়।










