
সাকিব আহসান : ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী একটি সামাজিক সংগঠন ‘পীরগঞ্জ পাবলিক ক্লাব’। ১৯৫৬ সালে এই ক্লাব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে পীরগঞ্জের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবকাঠামো তৈরির ভূমিকা পালন করে। বলা বাহুল্য, কালের বিবর্তনে পীরগঞ্জ পাবলিক ক্লাব সাংগঠনিক দুর্বৃত্তায়নের শিকারও হয়েছিল সময়ে সময়ে । ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর যেন পাথরের ফাটলে তৃণের উদ্ভব হয়। পীরগঞ্জ পাবলিক ক্লাব প্রাণ ফিরে পায় তরুণ বিপ্লবীদের হাত ধরে। সম্প্রতি ‘আমলনামা’ নামের এক বেনামী ফেসবুক আইডি থেকে একতরফা চরিত্রহনন বা কেইস প্রোফাইলিং এর মত সেকেলে হাইপোথিসিস ব্যবহার করে নতুন জীবন ফিরে পাওয়া পীরগঞ্জ পাবলিক ক্লাব নিয়ে অন্তঃসারশূন্য, মনগড়া এক জনযোগাযোগের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে যা মূলত শ্রোতাদের প্রভাবিত করতে বা তাদের একটি এজেন্ডা এগিয়ে নিতে প্ররোচিত করছে, যা বস্তুনিষ্ঠ নাও হতে পারে এবং নির্দিষ্ট সংশ্লেষণ বা উপলব্ধিকে উৎসাহিত করার জন্য নির্বাচনীভাবে তথ্য উপস্থাপন করতে পারে, অথবা উপস্থাপিত তথ্যের প্রতি যুক্তিসঙ্গত প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তে আবেগপূর্ণ প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে ভারী ভাষা ব্যবহার করতে পারে। যাকে ভদ্র ভাষায় ‘ইনফরম্যাশনাল ম্যানিপুলেশন’ বলা যেতে পারে। কোনো ব্যক্তিকে চরম বিদ্বেষের মনোভাব থেকে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থন করার ন্যূনতম সুযোগ না দিয়ে উপোর্যুপরি আঘাত ( সামাজিকভাবে এবং সমাজে একপেশে তথ্য ছড়িয়ে) করা এক প্রকার অপরাধের প্রতিপ্রভার ন্যায় প্রতীয়মান হয়। অভিযোগের একাধিক ভেক্টর রেখা তথাকথিত অভিযুক্তকে বারংবার চিহ্নিত করার চর্চায় চর্চিত হলে আমরা হয়ত জুলাই বিপ্লবের পর মবোক্র্যসির(Mobocracy) দিকে ধাবিত হচ্ছি। বেনামি ফেসবুক পেইজের অপপ্রচারের বিষয়ে পীরগঞ্জ পাবলিক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাকিব আহমেদ সোহান একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, “এই অপচেষ্টা একশ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহলের অপকৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়।যারা নিজেদের ব্যর্থতা ও অন্তঃসারশূন্যতা ঢাকতে গঠনমূলক সমালোচনার আড়ালে বিদ্বেষপূর্ণ গুপ্ত প্রচারণায় লিপ্ত হয়েছে।”










