
মোঃ ইলিয়াছ খান : ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্যের এ বিস্তার কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে, একে উপায় পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত খবর পাওয়া গেছে, গত বুধবার দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে সন্ধ্যা সাতটা শুরু হয় শেষ হয় রাত দশটার ওপরে, প্রথমে পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে ,কোনভাবেই যখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ হচ্ছিল না, তখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ফোন করে ঘটনা স্থলে আসতে বলা হলে তারা এসে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্যরা ও সালথা থানা পুলিশ একসাথে মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, এতে অন্তত প্রায় ১০ থেকে ১৫ টা দোকান ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আতাউর রহমান বলেন আধিপত্রকে বিস্তার করে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, এতে নেতৃত্ব দেন, নুরু মাতুবর ভাই মনসুর মাতুব্বর যিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে বিভিন্ন সময় ছিলেন, এই নুরু মাতুব্বর, শ্রমিক লীগের সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন বেশ কিছুদিন এছাড়াও তিনি উপজেলা পর্যায়ে আরো দুটি পথ পদবী গ্রহণ করেন। নুরু মাতুব্বর জেল হাজতে থাকার কারণে তার ছোট ভাই মনসুর মাতুবরের অধীনে বালিয়া বাজারে এই কাইজ্জা অনুষ্ঠিত হয়। নুরু মাতুব্বর জেলা হতে থাকার কারণে তার ভাই মনসুর মাতুব্বর সহ এই ঝামেলা হয়েছে বলে জানান স্থানীয় লোকজন ,মোঃ পান্নু , বাতেন, নাহিদ, সাজেদ মাতুব্বর, ইসহাক, মুসা, যারা একসময় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়দ ইসলাম রিংকুর গাড়ি বহরে হামলা করেছিল তাদেরকে নিয়েই গতকাল বালিয়া বাজারে কাইজ্জা সৃষ্টি করে, নুরু মাতুব্বরের ভাই , মোঃ মনসুর মাতুব্বর। আওয়ামী লীগের দোসর হচ্ছে মুনছুর মাতুব্বর ,এদেরকে নাম দেয়া হলো এরা প্রত্যেকেই আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করে গেছে বিগত দিনে এবং বিএনপিকে নির্দেশিত করার জন্য যত প্রকার যা যা করার প্রয়োজন সব করেছে এরা, প্রথম মাতুব্বর সমর্থকরা জাহিদ মাতুব্বরের কথা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির সালা থানার সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজাদ এর সমর্থকদের উপর অতর্কিত হামলা চালায় দেশীয় অস্ত্র ঢাল কাতরা চা পার্টি সহ বিভিন্ন প্রকার অস্ত্র নিয়ে, প্রথমে মানুষের মাতুব্বরের সমর্থকরা জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থকদের উপরে হামলা চালায় এবং দোকানপাট ভাঙচুর করে লুটপাট করে, তারপরে ই সংঘর্ষ বেদে যায়, সর্বপ্রথম মোহাম্মদ রিপন মাতবর এর দোকান ভাঙচুর করে লুটপাট করে নিয়ে যায় এই যে প্রায় দশ লক্ষ টাকার খতি সাধন হয়, তারপরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির গোটটি ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীরের সেনেটারির দোকান ভেঙ্গে চুরে তছনছ করে দিয়ে ভিতর থেকে সমস্ত কিছু লুটপাট করে নিয়ে যায়, এতে প্রায় ২০ থেকে ২২ লক্ষ টাকার মাল সামনা আর ডাকাতের মত নিয়ে চলে যায়। আর একজন ব্যবসায়ী হলেন ফিরোজ মাতুব্বর তারও একটি দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া হয়, আর একজন ডাক্তার দুঃখী মেয়ে তার দোকানে ভাঙচুর করে লুটপাট করে এতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ঔষধ নিয়ে যায় এবং নষ্ট করে ফেলে যায়, মোহাম্মদ ফিরোজ মোল্লা ও মামুন মোল্লা সহ ৮ থেকে ১০ টি দোকান বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে গিয়েছে এই সন্ত্রাসী বাহিনী আওয়ামী লীগের দোসর নুরু মাতুব্বর ও তার ভাই বর্তমানের কুখ্যাত আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীর দোসরের সেই পুরা দিন সামনে নিয়ে আসতে চায়, এ ব্যাপারে প্রথমে আমরা মনসুর মাতুব্বরের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি তাকে মুঠোফোনে না পাওয়া গেলে, তারপরে আমরা , জাহিদ মাতুব্বরের সাথে কথা বলি তিনি বলেন বিগত দিনে তারা আওয়ামী লীগের হয়ে এমন কোন অপকর্ম করেনি যেটা তাদের এখনো বাকি আছে এখনো আবার তারা পুরানো সেই দিনে ফিরে যেতে চায় এই সকল আওয়ামী লীগকে দোসরদের বিচার চাই আমি কারণ এরা সুন্দর একটা হাট বালিয়া বাজার তছনছ করে দিয়েছে, এ ব্যাপারে বিএনপি নেতা আজাদের সঙ্গে কথা হয় তিনি বলেন যখন গট্টি ইউনিয়নে আমার মনে হয় না যে বেশি লোক আমাদের জাতীয়তাবাদী বিএনপির দলের সঙ্গে ছিল 5 তারিখের পর থেকেই দিন দিন মনে হচ্ছে এরাই বুঝি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি দল করে আসছিল, কিন্তুু বিগত ১৭ বছরে আমি মনে হয় দুই থেকে তিনশ মামলার আসামি হয়েছি এটা দিয়েছে নুরু মাতুবর সহ তৎকালীন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর আমি নীরব ছিলাম এবং দেশ এবং এলাকাকে শান্তিতে রাখার জন্য সকল প্রকার পদক্ষেপ হাতে নিয়েছিলাম দেখা গেল তার বিনিময়ে নুরু মাতুব্বরের আদেশে তার ছোট ভাই মনসুর মাতুব্বর হঠাৎ করে ই এত বড় ধরনের একটি দুর্ঘটনা ঘটিয়ে দিল আমির সুস্থ বিচার চাই এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা চাই।










