আলমডাঙ্গায় বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজের দাবীতে মানব বন্ধন ট্রেন থামিয়ে লাইনে অবস্থান কর্মসূচি

 আলমডাঙ্গায় বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজের দাবীতে সর্বস্তরের মানুষের মানব বন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে।বিএনপি,জামাত,বনিক সমিতি,নাগরিক কমিটি,গার্মেন্টস সমিতি,কাপড় ব্যাবসায়ি সমিতির নেতৃবৃন্দ বেনাপোল ট্রেন ৫০ মিনিট থামিয়ে রাখে।পরে উর্ধতন কতৃপক্ষের আশ্বাসের ভিত্তিতে ট্রেন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানাগেছে।গতকাল বিকেলে আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটি,আলমডাঙ্গা বনিক সমিতি,আলমডাঙ্গা বৃহত্তর কাপড় ব্যাবসায়ি সমিতি,আলমডাঙ্গা গার্মেন্টস সমিতি,আলমডাঙ্গা কলেজ পাড়া কল্যান কমিটি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মি রেলওয়ে স্টেশনে মানব বন্ধনে অংশ নেয়।মানব বন্ধনে বেনাপোল ট্রেনের স্টপেজের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন জোয়ার্দার,পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু,সাধারন সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু,সাংগাঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন,গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস,উপজেলা জামাতে ইসলামীর সেক্রেটারি মানুন রেজা,পৌর জামাতের সেক্রেটারি,আলমডাঙ্গা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব হাবিবুল করিম চনচল, যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান শাবু, মিজানুর রহমান (মিজা), এমদাদ হোসেন, ফজলুল হক শামীম, সম্মানিত সদস্য কামরুল ইসলাম হীরা, মিজানুল হক, আব্দুর রশীদ মঞ্জু, আসিফ আল নুর তামিম, ফাহমিদুর রহমান মুন ও কলেজপাড়া কল্যান কমিটির সম্পাদক হাজী শফিকুল ইসলাম, ফারুক হোসেন, সোহেল জামান, যুগোল সাহা প্রমূখ।

আলমডাঙ্গা বনিক সমিতির সভাপতি আরেফিন মিয়া মিলন,সাধারন সম্পাদক খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মামুন,বৃহত্তর কাপড় ব্যাবসায়ি সমিতির সভাপতি হাজী গোলাম রহমান সিঞ্জুল,গার্মেন্টস সমিতির সভাপতি রবিউল ইসলাম,সাধারন সম্পাদক রনি আহম্মেদ,আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মন্টু সাধারন সম্পাদক হামিদুল ইসলাম,সাংবাদিক ফিরোজ ইফতেখার,শরিফুল ইসলাম,বসিরুল ইসলাম,আতিক বিশ্বাস,সাহাবুল ইসলাম,হাসিবুল ইসলাম,,মীর ফাহিম ফয়সাল,বিএনপি নেতা আনিসুর রহমান,বনিক সমিতির সাংগাঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম লিটন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের, কাজল, রাতুল সহ আরো অনেকে। সাধারণ ছাত্র : আলিফ, সিফাত, কাব্য, তাসিন, রাজন,রোহান, নাইম, আবির, সালেহীন সহ আরো অনেকে।এছাড়াও,সহ শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন।পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু বলেন বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্ব পুর্ন।ঢাকা থেকে ট্রেনে আসলে আমাদের চুয়াডাঙ্গা অথবা পোড়াদহে নামতে হয়।সেখান থেকে বাড়ী আসতে গেলে ঝুকিতে পড়তে হয়।

যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই ট্রেনটি সবচেয়ে দ্রুতগামী এই রুটে।বিশেষত আমরা যারা বাইরের জেলা যশোর,ঢাকাতে পড়াশোনার সুবাদে থাকি তাদের জন্য অনেক সুবিধাজনক হয়।অবিলম্বে আলমডাঙ্গায় স্টপেজ দিতে হবে।এই রুটে চালু করলে ভোগান্তি কম হবে অনেক।আর সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আলমডাঙ্গা স্টেশনটি ভৌগলিক ও আঞ্চলিকভাবে অনেক ঐতিহ্যবাহী এবং গুরুত্বপূর্ণ।নেতৃবৃন্দ আলমডাঙ্গা স্টেশন মাষ্টারের কাছে রেলওয়ে পশ্চিম জোনের জিএম বরাবর স্বরক লিপি পেশ করা হয়।বেনাপোল ট্রেন থামানোর পর গার্ড সাহেবের সাথে কথা বলা হয়,উর্ধতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে ৫০ মিনিট পর স্টেশন মাষ্টার বলেন আগামী জানুয়ারি মাসের ১তারিখের নতুন সিডিউল অনুযায়ি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আলমডাঙ্গা রেলস্টেশনে স্টপেজ দেবার আশ্বাস দেয়ার পর ট্রেন ছেড়ে দেওয়া হয়।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031