
এম কে কামরুল ইসলাম : এক সময় ভ্যান রিক্সার গ্যারেজ ছিলো ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়নের বিকপাশা গ্রামের মজিবরের। গ্যারেজের আয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন মজিবর পরে তার এলাকার উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীরের পরামর্শে নিজের ও অন্যের কিছু জমি লিজ ( বন্ধক) নিয়ে মাছের ঘের নির্মাণ করে মাছ চাষ শুরু করেন মজিবর। আর মাছের সেই ঘেরেই মাচা পদ্ধতিতে (যাহা) নির্মান করে এস,এ,সি,পি প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি অফিসের সহযোগিতায় লিনা জাতের হাইব্রিড করলা চাষ শুরু করেন কৃষক মজিবর। চারা রোপনের ৫০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যেই ফলন আসা শুরু করে। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। আগে যে আয় হত তা দিয়ে সংসারের খরচ মেটানোই অনেকটা কষ্টদায়ক ছিলো। এখন তার উৎপাদিত করলা বিক্রির মাধ্যমে প্রতিদিন ১৫শত থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। অল্প পুঁজির মাধ্যমে। উৎপাদিত করলা ৪ থেকে ৫ পিচেই কেজি হচ্ছে লিনা জাতের এই হাইব্রিড জাতের করলা চাষে বেশ লাভবান হচ্ছেন তিনি। গড়ে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ কেজি করলা বিক্রি করেন। অল্প খরচে এই প্রকল্পে ভালো লাভবান দেখে আশপাশের অনেক কৃষকই করলা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছে। যা উন্নত কৃষির অন্যতম সাফল্য। বক্তব্য – ১,২,৩ নাম্বারে চাষী মজিবর রহমান, (৪) নলছিটি ( ঝালকাঠি) উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সানজিদা আরা শাওন।










