
গত পাঁচই আগস্ট হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর থেকে তারুণ্যের হাত ধরে দেশ পরিবর্তন হতে শুরু করেছে কিন্তু এই পরিবর্তনের ছোঁয়া এখনও পড়েনি দেশের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার গুলোতে,
সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে অনেক নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, স্বল্প আয়ের মানুষদের তাদের উপার্জিত অর্থের মধ্যে পরিবারের চাহিদা পূরণ করা হয়ে যাচ্ছে কষ্টসাধ্য,
যেখানে এদেশে একজন দিনমজুর সারাদিন তার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সর্বোচ্চ উপার্জন করে ৫০০ টাকা সেখানে এক কেজি গরুর মাংসই যেন ৯০০ টাকা, ইলিশ মাছ যেন এই স্বল্প আয়ের মানুষদের কাছে হয়ে উঠেছে সোনার হরিণ একটি ভালো মাপের ইলিশ মাছ কিনতে হলে তাদেরকে খরচ করতে হবে তাদের ৪ দিনের উপার্জিত টাকা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ইলিশ মাছের দাম ও নৃত্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর দাম কমলেও সেটার সাথে কোন অংশেই মিল নেই বাস্তবতার, পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা ছাড়িয়ে ১২০ টাকায় পৌঁছেছে, রসুন তো ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল্য দাঁড়িয়েছে ২২০ টাকায়, নিম্ন আয়ের মানুষদের একমাত্র ভরসা আলু হয়েছে ৬০ টাকা কেজি, ৫০ টাকার নিচে নেই কোনো তরি তরকারি,
তবে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে ব্রয়লার মুরগির দোকানে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা কেজি দরে, অপরদিকে মাছের বাজার যেন আগুন নিম্ন আয়ের মানুষদের মাছের চাহিদা মেটানোর সম্বল পাঙ্গাস ও তেলাপিয়ার দামও বেড়েছে, বিক্রি হচ্ছে সাইজ অনুযায়ী ১৫০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে, চাল সর্বনিম্ন ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, সয়াবিনের তেল এর কেজি দাঁড়িয়েছে ১৬৫ টাকায়,
নৃত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দ্রব্যমূল্যের এমন ঊর্ধ্বগতিতে যেন পরিবার পরিজন এর মুখে তিন বেলা অন্য যোগান দেওয়াই দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে অনেক নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে।










